🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ শুক্রবার, ১১ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ২৫ জুন, ২০২১ ৷

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো চিলি


❏ মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৫, ২০১৭ আন্তর্জাতিক

nb


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রবল ঝাঁকুনিতে কেঁপে উঠলো চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো । চিলির স্থানীয় সময় সোমবার বিকেলে এই ভূমিকম্প অনভূত হয়।

প্রবল ঝাঁকুনিতে কেঁপে উঠলেও বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ভূমিকম্পের পরই চিলির প্রশান্ত মহাসাগর উপকূল বরাবর সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল, পরে তা তুলে নেওয়া হয়।

ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র সান্তিয়াগো থেকে ১৩৭ কিলোমিটার দূরে এবং উপকূলীয় শহর ভ্যালপারাইসো থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে সাগরে ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা দুইবার সংশোধনের পর ভূমিকম্পটির মাত্রা ছয় দশমিক নয় বলে স্থির করে। এই মাত্রার ভূমিকম্পে সচরাচর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে।

সাগরের তলদেশে ভূপৃষ্ঠের মাত্র ২৫ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হওয়া ভূমিকম্পটি শত শত কিলোমিটার দূর থেকেও অনুভূত হয়। অফিস ছুটির পর সান্তিয়াগোর প্রায় জনশূন্য ভবনগুলো ৩০ সেকেন্ড ধরে এদিক-ওদিক দুলতে থাকে।

ভূমিকম্প উপকেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকার লোকজন ২০১০ সালের ভূমিকম্প ও তৎপরবর্তী সুনামির অভিজ্ঞতার কারণে উঁচু এলাকাগুলোতে গিয়ে আশ্রয় নেয়।

উপকূলীয় ভিনা ডেল মার শহরের একটি ক্লিনিকের ২৬ বছর বয়সী সেবিকা পালোমা সালামো বলেছেন, ‘সংক্ষিপ্ত হলেও অত্যন্ত শক্তিশালি ছিল এটি।’

ক্লিনিকে থাকা লোকজন বাচ্চা কোলে নিয়ে দৌঁড়ে বাইরে বের হয়ে যায় আর সুনামি সতর্কতা জারির পর অনেকে পাহাড়ের দিকে রওনা হয়, কিন্তু পরে সব স্বাভাবিক হয়ে আসে বলে জানান তিনি।

ভূমিকম্পের পরপরই সুশৃঙ্খলভাবে ঘরবাড়ি ছেড়ে যাওয়ায় জনগণের প্রশংসা করে চিলির প্রেসিডেন্ট মিশেল বাশলে বলেছেন, ‘এ পর্যন্ত কোনো প্রাণহানী বা উল্লেখযোগ কোনো ক্ষয়ক্ষতির হয়নি।’

চিলির কঠোর নির্মাণ-বিধানের কারণে ভবনগুলোর তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভূমিকম্পটি চিলির সীমান্তে অবস্থিত আন্দিজ পর্বতমালার অপর পাশের দেশ আর্জেন্টিনায়ও অনুভূত হয়েছে বলে জানা গেছে।