• আজ ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বাউফলে কৃষকের স্বপ্ন পচে যাচ্ছে

৬:৪৬ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৫, ২০১৭ দেশের খবর, বরিশাল

vx


বাউফল প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চরকালাইয়া গ্রামের প্রান্তিক চাষি সুদর্শন হাওলাদার। এ বছর অনেক আশা করে চাষ করছিলেন সোনাই মুগ ডালের। দেশি প্রজাতির এ ডালের চাহিদা ব্যাপক হওয়ায় চাষ করেছিলেন প্রায় ২ একরেরও বেশি জমিতে। চাষের পড় আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় গাছ ভরে গিয়েছিল ফুলে আর ফলে। স্বপ্ন দেখতে ছিল এবছর লাভের মুখ দেখবেন। কিন্তু সকল স্বপ্নই যেন শেষ হয়ে গেছে। সম্প্রতী টানা পাঁচ দিনের মুশল ধারের বৃষ্টির কারনে জমিতে পানি জমে গাছ গুলো পচে যাচ্ছে। এ অবস্থা শুধু শুদর্শন হাওলাদারেরই নয়। উপজেলার অধিকাংশ কৃষকের একই অবস্থা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর রবি মৌসুমে মোট ২৮হাজার ৪শত ৩ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফসলের আবাদ করা হয়। সব থেকে বেশি আবাদ হয়েছে মুগের, প্রায় ২০ হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে মুগ, ৩হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে খেসারি, ১হাজার ২শ হেক্টর জমিতে মরিচ এবং বাকি জমিতে সোলা, ফেলন, সয়াবিন, তরমুজ, চিনাবাদাম ও অন্যান্য ফসলের আবাদ করা হয়। আবাদি জমির পরিমান সম্পর্কে তথ্য থাকলেও ক্ষতির পরিমান সম্পর্কে কোনো ধারনা দিতে পানে নাই কৃষি বিভাগ। তকে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ২শ কোটি টাকার উপরে আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন তারা।

সরজমিনে জেলার বৃহত্তম ডালের মোকাম কালাইয়া বাজারের আড়ত গুলো গিয়ে দেখা যায়, ফাঁকা পড়ে আছে আড়ত গুলো নেই পাইকার-চাষিদের কোলাহল।

বাউফল আড়তদার সমিতির সভাপতি সহিদুল ইসলাম শাহিন বলেন, বছরে শুধু এই কালাইয়া বাজারেই মুগ ডালের বেচাকেনা হয় অর্ধ কেটি টাকার। অথচ বর্তমানে ডালের মুল সিজন হওয়া সত্ত্বেও আড়ত গুলো ফাকা পড়ে আছে। এসব বিষয়ে বাউফল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সরোয়ার জামান বলেন, আমরা তথ্য সংগ্রহ করছি। ক্ষতির পরিমান নিরুপনের কাজ চলছে। কৃষদের ক্ষতির হাত থেকে কি ভাবে পুষিয়ে ওঠা যায় তা ভাবা হচ্ছে।