সংবাদ শিরোনাম

খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট নিয়ে যা বললেন চিকিৎসক২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলেন কাদের মির্জাটাঙ্গাইলে ভন্ড পুরুষ কবিরাজ নারী সেজে যুবককে বিয়ে! অতঃপর…ব্যক্তিগত কাজে সরকারি গাড়ি নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ঢাকা ভ্রমণ!শেরপুরের সেই শিশু রোকনের পরিবারের পাশে ইউএনও!কক্সবাজারে অস্ত্রসহ ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতারকক্সবাজারে অনুপ্রবেশকারীর পক্ষ না নেয়ায়, আ’লীগ সভাপতিকে অব্যাহতি!শাহজাদপুরে ট্যাংকলরি সিএনজি’র মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১রমজান মাসে আলেমদের হয়রানি মেনে নেয়া যায় না: নুরুল ইসলাম জিহাদীখালেদা জিয়াকে পাকিস্তান-জাপান দূতের চিঠি

  • আজ ৩রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

চরফ্যাসনে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মাদক ক্রেতা-বিক্রেতা

৭:৩১ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৫, ২০১৭ দেশের খবর, বরিশাল

এস আই মুকুল, ভোলা প্রতিনিধি-  ভোলার চরফ্যাসনে হাত বাড়ালেই মিলছে সকল প্রকার মাদক। মাদক নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট যারা তাদেরও যেন মাদক নিয়ন্ত্রনে কোন উদ্বোগ নেই। যে কারণে মাদকের ব্যাপকতা ব্যাপকভাবে প্রসার লাভ করেছে। মাদকে সয়লাব হয়ে গেছে চরফ্যাসন উপজেলা।

মাদকগত মাসের আইন শৃঙ্খলা মিটিংয়ে মাদক বিক্রির যে সমস্ত সু-নির্দিষ্ট পয়েন্টে মাদক বেচা-কেনা হয় তা নিয়ে আলোচনা হয়েছের। কিন্তু মাদক নিয়ন্ত্রনে তেমন উল্লেখযোগ্য কোন পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

এই মাদকের প্রসার ও ব্যাপকতা নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এতেও কর্তৃপক্ষের কোন নজরদারি লক্ষ করা যাচ্ছে না। মাদক নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যাও যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি মাদক সেবীর সংখ্যাও ব্যাপক ভাবে বাড়ছে। হাত বাড়ালেই সব ধরণের মাদক পাচ্ছে মাদক সেবীরা।

মাদক সিন্ডিকেটের ব্যবসায়ীরা সু-কৌশলে তাদের লোকজনের মাধ্যমে এই সমস্ত মাদক আমদানী-রপ্তানী করে থাকে। মাদক ব্যবসা অধিক লাভ জনক হওয়ায় মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যাও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। সেই সাথে উঠতি বয়সের কোমল-মতি ছেলে-মেয়ে, যুবসম্প্রদায়সহ স্কুল-কলেজের ছাত্রী-ছাত্রীরাও মাদকে ঝুকে পড়ছে।

মাদক বিক্রি ও খাওয়ার বিষয়টি এখন ওপেন সিক্রেট। মাদকাসক্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সমাজে বিভিন্ন অপরাধ প্রবনতা বেড়েই চলেছে। বর্তমানে জুয়া খেলার প্রবনতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। মাদকাসক্তিদের নেশার টাকার অভাবে টাকা সংগ্রহের কারণে বিভিন্ন অপকর্ম করতে বাধ্য হয়। যে কারণে বিভিন্ন চুরি-ছিনতাই, পকেটকাটাসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে।

উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি-এওয়াজপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মাদ্রাজ গ্রামের দরিদ্র কৃষক রফিক মিয়ারসহ ৬টি ঘর একই রাত্রে চুরি হয়ে যায়। বর্তমানে ওই কৃষক পরিবারগুলো এখন সর্বশান্ত। এ ধরনের চুরির ঘটনায় কৃষকদের চোখে এখন ঘুম নেই। রাত জেগে কৃষকরা তাদের ঘরে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে।

এছাড়াও চরফ্যাসন পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে অজ্ঞান পার্টির ক্ষপ্পরে পড়ে কয়েকজন টাকা পয়সা ও ঘরের মালামাল হারিয়েছে। এমন অজ্ঞান পার্টির ঘটনায় পৌর এলাকায় ভীতির সৃষ্টি করেছে। এতে মাদক নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন এমনি প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।