সংবাদ শিরোনাম

ছাত্রলীগ নেতার প্যান্ট চুরির ভিডিও ভাইরাল!পাটগ্রামে ইউএনও’র উপর হামলা, আটক ৬আগের সব রেকর্ড ভেঙ্গে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ৮৩ জনেরশফী হত্যা মামলা: মামুনুল-বাবুনগরীসহ ৪৩ জনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদনখালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সারাদেশে দোয়া কর্মসূচিরোহিঙ্গা শিবিরে ফের অগ্নিকান্ডসালথায় তান্ডব: এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের সত্যতা মিলেনিশাহজাদপুরে কৃষকদের মাঝে হারভেস্টার মেশিন বিতরণচাঁদপুরে গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিশ্রমিকদের যাতায়াতের ব্যবস্থা না করলে আইনি পদক্ষেপ : শ্রম প্রতিমন্ত্রী

  • আজ ৩০শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

হিলারী প্রশাসনের ইঙ্গিতেই ইউনুসকে বাঁচাতে হুমকী দেয়া হয়েছিলো জয়কে!

১২:২৩ অপরাহ্ন | শুক্রবার, এপ্রিল ২৮, ২০১৭ Breaking News, আলোচিত বাংলাদেশ, স্পট লাইট

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক-

গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে নানা আর্থিক অনিয়মের  অভিযোগে ২০১২ সালের গোড়ার দিকে তদন্ত শুরু করেছিলো  বাংলাদেশ সরকার। নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রামীণ ব্যাংকের আর্থিক অনিয়ম তদন্ত শুরু হলে সে তদন্ত  বন্ধে ২০১২ সালের গোড়ার দিকে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর থেকে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ওপর চাপ দেবার অভিযোগ উঠেছিলো ।

বিভিন্ন সুত্রমতে ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত তারা জয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। উদ্দেশ্য ছিল তিনি যেন ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধে তার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজি করান। শেষ পর্যন্ত ২০১৩ সালের গোড়ার দিকে ওই তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

গত ২০১৫ সালে হিলারির ফাঁস হওয়া ই-মেইলেও ইউনূসের জন্য তদ্বিরের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছিলো  । ইউনূসকে সরানোর কারণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নানাধরনের চাপ আসার কথা জানিয়েছিলেন  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ।

দীর্ঘদিন পর যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গণমাধ্যম ডেইলি কলারের অনুসন্ধানী এক প্রতিবেদনে গত মঙ্গলবারের এক প্রতিবেদনে এবার বেরিয়ে এসেছে আরও কিছু ‘চমকপ্রদ’ তথ্য।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রামীণ ব্যাংকের নানা আর্থিক অনিয়মের ঘটনায় ২০১২ সালের গোড়ার দিকে তদন্ত শুরু করে বাংলাদেশ সরকার। সে সময়ে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ছিলেন শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই তদন্ত বন্ধ করার জন্য তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র জয়ের ওপর চাপ দেয়া হয়। ওই সময় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন হিলারি ক্লিনটন যিনি ইউনূসের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে পরিচিতি।

সজীব ওয়াজেদ জয়ের উধৃতি দিয়ে ডেইলি কলার বলেন, ‘১৭ বছর ধরে বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকালে কখনও তার কোনও সমস্যা হয়নি। তবে ড. ইউনূসের ব্যাপারে তদন্তের ঘটনায় মার্কিন কর্মকর্তারা তার বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগে তদন্ত শুরুর হুমকি দেন।’

জয় বলেন, তারা দফায় দফায় আমাকে বলেন, ইউনূসের অনেক প্রভাবশালী বন্ধু আছে। আর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্লিনটনের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়টিও গোপন কোনও ব্যাপার নয়।’

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতুতে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন আটকাতে হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে ইউনূসের যোগসাজশের বিষয়টি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে, গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদ থেকে ইউনূসকে না সরাতে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে চাপ আসার কথাও স্বীকার করেন।

২০১১ সালে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির যড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে ১২০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি বাতিল করে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার নিজ উদ্যোগে পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেই। ইতোমধ্যে সেতুটির প্রায় ৪০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান পার্টিঘেঁষা ডেইলি কলারেরই এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ডেমোক্রেটিক দলের প্রেসিডেন্টপ্রার্থী হিলারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকার সময় নিজ পদের প্রভাব খাটিয়ে ইউনূসকে এক কোটি ৩০ লাখ ডলারের তহবিল জুগিয়েছিলেন।

অন্যদিকে, ইউনূস এক লাখ থেকে তিন লাখ ডলার ক্লিনটন ফাউন্ডেশনকে দান করেছিলেন। ওই সময় অবশ্য  ক্লিনটন ফাউন্ডেশন থেকে বিষয়টি অস্বীকার করা হয়।