• আজ ১৯শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নারীর এই ৭ গুণ প্রত্যেক পুরুষকে মারাত্মকভাবে আকর্ষণ করে

৯:২৯ পূর্বাহ্ন | মঙ্গলবার, জুলাই ১১, ২০১৭ লাইফস্টাইল

সময়ের কণ্ঠস্বর ~ ‘ট্রায়াঙ্গুলার থিওরি অব লাভ’ অনুসারে তীব্র আবেগ (প্যাশন), অন্তরঙ্গতা আর কমিটমেন্ট—এই তিনটি বৈশিষ্ট্য একটি সম্পর্ককে পরিপূর্ণতা দেয়। কেউ যদি সম্পর্কের পরিণতি প্রত্যাশী হন, কিন্তু অপরপক্ষে অনীহা দেখেন, তবে সে সম্পর্ক ধীরে ধীরে গুটিয়ে ফেলা বা সঙ্গীর প্রতি নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনাই ভালো। ভালোবাসার সর্বগ্রাসী প্রকৃতির জন্য আবেগে বাঁধ দেওয়া কঠিন।

কিন্তু তা না হলে পরবর্তীকালে হৃদয়ভাঙার কষ্টটা আরও প্রকট হবে। প্রকৃত, ভালোবাসা থাকলে কমিটমেন্ট থাকবেই। যদি কেউ পারিবারিক, আর্থিক, পেশাগত বা অন্য কোনো কারণে সম্পর্কের পরিণতি দিতে উৎসাহী না হন, তাহলে প্রেমের সম্পর্কে না জড়ানোই ভালো। আর যদি জড়িয়েই যান, তবে দায়িত্ব থাকবে বারবার সঙ্গীকে মনে করিয়ে দেওয়া যে এই সম্পর্কের স্থায়িত্ব নেই এবং সঙ্গী যেন পরিণতির প্রত্যাশা না করেন। তা না হলে ভুল-বোঝাবুঝির অবকাশ থেকে যাবে।

কাছের মানুষের খুশি সব মানুষের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। খুশি করার জন্য সব সময় উপহার দিতে হবে এমনটি নয়। উপহার ছাড়াও ছোট ছোট কিছু বিষয় আছে যা আপনার কাছের মানুষকে খুশি করতে তুলতে পারে। একজন পুরুষ সবসময় এই ছোট ছোট কাজগুলো আশা করে থাকেন তাঁর সঙ্গিনীর কাছ থেকে। খুব বেশি কঠিন কিছু নয়, ছোট এই কাজগুলোই পারবে আপনার সঙ্গীর মুখে হাসি ফুটাতে। সম্পর্ক মধুর করার জন্য খুব বেশি কিছুর প্রয়োজন নেই। ছোট ছোট এই বিষয়গুলো সম্পর্ক মজবুত করে তোলার জন্য যথেষ্ট। পুরুষেরা তার স্বপ্নের রাজকন্যার মধ্যে এই সব গুন খোঁজেন।

১। সম্মান

সম্মান প্রত্যেক মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। একজন প্রেমিক সবসময় চায়, তার প্রিয় মানুষটি তাকে সম্মান করুক। তাই প্রিয় মানুষটিকে ভালোবাসার পাশাপাশি সম্মান করুন। একজন স্বামীও সেটাই চান। শুধু প্রিয় মানুষটিকে নয়, তার কাছের মানুষদেরকে সম্মান করুন। এতে প্রিয় মানুষটির চোখে আপনার সম্মান বেড়ে যাবে অনেক খানি।

২। হাসি

একটি সুন্দর হাসি সমাধান করে দিতে পারে অনেক সমস্যা। হাস্যোজ্বল মুখ দেখতে সব প্রেমিকই পছন্দ করেন। আপনার প্রেমিকের কাছে আপনার হাসি অনেক মূল্যবান। আপনার হাসি দেখলে তিনি নিশ্চিত থাকেন যে আপনার জীবনে সবকিছু ভালভাবে যাচ্ছে। তাই মুখ গোমড়া না থেকে হাসিমুখে কথা বলুন।

৩। কাজের প্রশংসা করা

প্রশংসা শুনতে কে না পছন্দ করে বলুন? আপনার প্রেমিকও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রেমিকের কাজের প্রশংসা করুন। আপনার মুখ থেকে শোনা কাজের প্রশংসা তাকে কাজে আরো বেশি উৎসাহিত করবে।

৪। চিন্তা করার সময় দিন

ছেলেরা মেয়েদের মত দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। বিশেষ করে যদি সেটা জীবনের কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়। তাই কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে তাকে সময় দিন। এতে সে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে আর খুশিও হবে আপনি তাকে বুঝতে পেরেছেন দেখে।

৫। ধন্যবাদ দিন

প্রশংসার পাশাপাশি তাকে ধন্যবাদ দিন। ছেলেদের কাছে “থ্যাংক ইউ” কথাটি অনেক সময় “লাভ ইউ” থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। এই ছোট শব্দটি দিয়ে তিনি বুঝতে পারবেন তার কাজের গুরুত্ব আপনার কাছে রয়েছে।

৬। তোমাকে দেখতে সুন্দর লাগছে

সুন্দর বা হ্যান্ডসাম দেখতে হলে সবসময় দামী পোশাক পরতে হবে এমনটি নয়। খুব সাধারণ পোশাকেও সুন্দর লাগতে পারে। তাই সব সময় পোশাক নিয়ে অভিযোগ না করে তার প্রশংসা করুন। বলুন, “তোমাকে আজ অনেক হ্যান্ডসাম লাগছে”। দেখবেন কী পরিমাণ খুশি হয়ে উঠেছে আপনার প্রিয় মানুষটি।

৭। আপনার হাসি “শোনান”

আপনার হাসি দেখতে যে পছন্দ করে, সে আপনার হাসি শুনতেও ভালোবাসবে। আপনার হাসি তাকে মানসিক শান্তি প্রদান করে। ফোনে রাগ করে কথা বলার পরিবর্তে একটু হেসে কথা বলুন আর দেখুন ম্যাজিক।