সংবাদ শিরোনাম

গাজীপুর পিরুজালী থেকে কিশোরের লাশ উদ্ধারদেশেই টিকা উৎপাদনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রীকক্সবাজারে ইয়াবা সম্রাটের সহযোগীর বাড়ি থেকে ১ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারসিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্তরোহিঙ্গা শিশু অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় নারীসহ দু’জন গ্রেপ্তারবেলকুচিতে দূর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ে গেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান !জামালপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণ, গ্রেফতার মাদ্রাসার শিক্ষক‘করোনাকালের নারী নেতৃত্ব: গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব’বগুড়ায় শিক্ষা প্রনোদনা পেতে প্রত্যয়নের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগজামালপুরে ধর্ষণ মামলায় ধর্ষকের যাবজ্জীবন

  • আজ ২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁয়ে নির্যাতনে গৃহবধুর মৃত্যু: আটক দেবর-শাশুড়ী

২:২৪ অপরাহ্ন | বুধবার, নভেম্বর ২৯, ২০১৭ অপরাধ, দেশের খবর

কামরুল হাসান, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈলে যৌতুকের দাবিতে শ্বশুর বাড়ির লোকজনের নির্মম নির্যাতনে অঞ্জনা রানী (২৪) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যূ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার ভোর রাতে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই গৃহবধূর মৃত্যূ হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ গৃহবধূর শাশুড়ী ও দেবরকে আটক করেছে।

অঞ্জনার মা অভিযোগ করে বলেন, প্রায় ১০ বছর পূর্বে অঞ্জনা রানী (৩০) কে বিয়ে করে নারায়নপুর গ্রামের জগেশ চন্দ্র রায়ের ছেলে পুষ্প চন্দ্র রায়। অঞ্জনার রয়েছে শিশু বয়েসের দুই ছেলেমেয়ে। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে অঞ্জনার উপড় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাত স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন। গত ১৬ নবেম্বর সকালে স্বামী পুষ্প চন্দ্র ও তার পরিবারের লোকজন এক লাখ টাকা যৌতুক আনার জন্য অঞ্জনা রানীকে তার বাবার বাড়িতে যেতে বলে।

এতে রাজি না হওয়ায় স্বামী পুষ্প চন্দ্র চুলের মুঠি ধরে অঞ্জনাকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে। এ সময় শ্বাশুড়ি, দেবরসহ পরিবারের অন্যান্যরাও তাকে বেধরক মারপিট করে। এক পর্যায়ে অঞ্জনা রানী অজ্ঞান হয়ে পড়লে স্থানীয় ইউপি মেম্বার তাকে উদ্ধার করে রানীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে তাঁর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোর রাতে মারা যায় অঞ্জনা রানী।
এ ঘটনায় পুলিশ মৃতের শাশুড়ি অলকা রানী (৪৫) ও দেবর সুদেব চন্দ্র (২০) কে আটক করেছে।

এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অঞ্জনা রানী নিজে বাদী হয়ে স্বামী, শাশুড়ি ও দেবরসহ সাত জনকে আসামি করে রানীশংকৈল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিল। উক্ত অভিযোগে সেই মামলা সোমবার সকালে রানীশংকৈল থানা পুলিশ রজু করেছিল। কিন্ত মামলার অগ্রগতি দেখার আগেই অঞ্জনারাণী মঙ্গলবার ভোর রাতে পারী জমিয়েছে না ফেরার দেশে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
রানীশংকৈল থানার ওসি আব্দুল মান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।