সংবাদ শিরোনাম

মুশতাকের মৃত্যুকে ঘিরে আন্দোলনে বাতাস দিচ্ছে জঙ্গিগোষ্ঠী: তথ্যমন্ত্রীকক্সবাজারে মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে পিতার যাবজ্জীবনস্বাধীনতা ইশতেহার পাঠের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে টাঙ্গাইলে আলোচনা সভাবকেয়া বেতনের দাবিতে চট্টগ্রামে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধমাদক মামলায় দেশের ইতিহাসে প্রথম ফাঁসির আদেশকৃষকের অনীহা, আমন মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহে ব্যর্থ খাদ্য অধিদফতরনিখোঁজের ৮ দিন পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার; পরিবারের দাবি হত্যাখালেদা জিয়ার আবেদন আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীতিস্তা টোল প্লাজায় আট লাখ ৭০ হাজার ভারতীয় রুপিসহ আটক ১শতাধিক যুবকের রঙিন চুল কাটালো পুলিশ

  • আজ ১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কাশিমপুর কারাগারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্তুতি

৯:৫৩ অপরাহ্ন | বুধবার, নভেম্বর ২৯, ২০১৭ Breaking News, আলোচিত বাংলাদেশ, স্পট লাইট

সময়ের কণ্ঠস্বর: বহুল আলোচিত ট্রান্সকম গ্রুপের কর্ণধার লতিফুর রহমানের মেয়ে শাজনীন তাসনিম রহমানকে প্রায় ২০ বছর আগে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শহীদুল ইসলামের রায় বুধবার রাতে কার্যকরের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। বুধবার রাত ১০টায় গাজীপুরের কাশিমপুরে হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে তার ফাঁসি কার্যকরের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে গাজীপুরের কাশিমপুরে হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে বন্দি রয়েছে। তার বাড়ি গোপালগঞ্জের মোকসেদপুরে বলে জানিয়েছেন হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার বিকাশ রায়হান।

কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার বিকাশ রায়হান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন খারিজ হওয়ায় পরপরই কারাবিধি অনুযায়ী আদালতের দেয়া তার মৃত্যুদণ্ডেরর রায় কার্যকরের উদ্যোগ নেয়া হয়। ফাঁসির রায় কার্যকরের সময় গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট রাহেনুল ইসলাম, কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, গাজীপুরের সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ মো. মঞ্জুরুল হক ও পুলিশের ঊর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে জেলখানার প্রধান জল্লাদ রাজু ও তার কয়েক সহযোগীকে ফাঁসির আদেশ পালনে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, বুধবার দুপুরে দণ্ডপ্রাপ্ত শহীদুলের ছোট ভাই মুহিদুল ইসলাম এবং তার স্বজনেরা শহীদুলের সঙ্গে কারাগারে সাক্ষাত করেছেন। শহীদুল এসময় পরিবারের সদস্যদের উপদেশমূলক কথাবার্তা বলেন।

জানা গেছে, ১৯৯৮ সালের ২৩ এপ্রিল রাতে গুলশানে লতিফুর রহমানের বাড়িতে খুন হন তার মেয়ে শাজনীন তাসনিম রহমান। শাজনীন তখন ঢাকার স্কলাস্টিকা স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। আর শহীদ ছিলেন ওই বাড়ির পরিচারক। শাজনীন হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে ২০০৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক কাজী রহমতউল্লাহ রায় দেন।

রায়ে শাজনীনকে ধর্ষণ ও খুনের পরিকল্পনা এবং সহযোগিতার দায়ে শাজনীনদের বাড়ির সংস্কার কাজের দায়িত্বে নিয়োজিত ঠিকাদার সৈয়দ সাজ্জাদ মইনুদ্দিন হাসান, হাসানের সহকারী বাদল, শাজনীনদের বাড়ির পরিচারক শহীদ, কাঠমিস্ত্রি শনিরাম মন্ডল ও গৃহপরিচারিকা দুই বোন এস্তেমা খাতুন (মিনু) ও পারভীনকে মৃত্যুদন্ড দেন বিচারক। আসামিদের মৃত্যুদন্ড অনুমোদনের জন্য (ডেথ রেফারেন্স) ওই বছরই মামলাটি হাইকোর্টে আসে। দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিলও করেন। ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০০৬ সালের ১০ জুলাই আসামি হাসান, শহীদ, বাদল, মিনু ও পারভীনের ফাঁসির আদেশ বহাল রাখে। রায়ে অপর আসামি শনিরাম মন্ডল খালাস পান।