সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কালকিনিতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে স্বামী পরিত্যক্ত দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষণ


এইচ এম মিলন, কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধিঃ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মাদারীপুরের কালকিনিতে স্বামী পরিত্যক্ত দুই সন্তানের এক জননীকে একাধিকবার হোটেল মালিক লম্পট ছেলে কর্তৃক ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই ধর্ষিতা জননী।

অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার উত্তর রাজদী গ্রামের স্বামী পরিত্যক্ত দুই সন্তানের জননী পেটের দায়ে ৮বছর ধরে পৌর এলাকার মজিদবাড়ির (ভুরঘাটা) বাজারের আল-ইমরান হোটেলে ৭ হাজার ৫শ টাকা বেতন চাকরী নেন। এ সুযোগে ওই হোটেল মালিক নূরু খন্দকারের লম্পট ছেলে ইমরান খন্দকার দুই সন্তানের জননীকে বিভিন্ন সময় বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে আসছে।

পরে ওই দুই সন্তানের জননী বিয়ের জন্য চাঁপ প্রয়োগ করলে লম্পট যুবক তা অস্বীকার করে। এতে করে নিরুপায় হয়ে ধর্ষিতা বাদী হয়ে কালকিনি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এদিকে বিষয়টি এলাকাবাসির মাঝে ফাঁস হয়ে গেলে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় সৃষ্টি হয়েছে।

ধর্ষকের বাবা নূরু খন্দকার বলেন, এ বিষয়টি আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, ধর্ষণের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কালকিনিতে ওষুধ ফার্মেসীর অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার

ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের বার বার ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে হয়রানীর অভিযোগ এনে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সকল ওষুধের ফার্মেসী অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে মাদারীপুর কেমিস্টস এন্ড ড্রাগিস্টস সমিতি।

কোন ঘোষণা ছাড়া বুধবার দুপুর থেকে সন্ধা পর্যন্ত ওষুধের দোকান বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। পরে বুধবার রাতে জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদুল ইসলামের হস্তক্ষেপে এ ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।

বাংলাদেশ কেমিস্টস এন্ড ড্রাগিস্টস সমিতি মাদারীপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাবিক হাসান জানান, দীর্ঘ দিন ধরে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের লোকজন ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা নিষিদ্ধ ওষুধ সরবরাহ করার অজুহাত দেখিয়ে বিভিন্ন ওষুধের ফার্মেসী থেকে অবৈধ টাকা নিচ্ছে। এতে অনেক আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছে দোকানীরা। বার বার বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও ভোক্তা অধিকার অধিপ্তরকে বলার পরেও কোন কাজ না হওয়া মাদারীপুরে সমিতির আওতাধীন ৮০০ ওষুধের দোকান বন্ধ করা হয়।

এর সঠিক সমাধান না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্যে সব ওষুধের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন তারা। তবে কোন পূর্ব ঘোষণা ছাড়া ওষুধের দোকান বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে রোগীরা। তারা, দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের দাবী করেন।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, ওষুধ অত্যন্ত একটি জনগুরুত্বের বিষয়। কিন্তু ফার্মেসী বন্ধ থাকায় অনেক ক্ষতি হয়েছে। আমরা চেষ্টা করেছি তাদের সঙ্গে সমঝোতার। আমাদের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটরা চেষ্টা করবে সঠিক কাজ করতে।

সময়ের কণ্ঠস্বর/রবি

◷ ১২:৫২ অপরাহ্ন ৷ বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৩০, ২০১৭ ঢাকা, দেশের খবর