মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটা সড়কের বেইলী ব্রীজটি মরণ ফাঁদ, চলাচলে ভোগান্তি


এস.এম. আকাশ, মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি: মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটা সড়কের স্থানীয় সাপলেজা আবাসন সংলগ্ন দুটি বেইলী ব্রীজ মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

দু’ উপজেলার সড়কের এ ব্রীজ দুটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে ওই ব্রীজ দিয়ে প্রতিদিন দু’উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করতে গিয়া দূর্ঘটনাসহ নানা ভোগান্তি পোহাচ্ছে। ব্রীজের ফাঁকায় যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস, এ্যাম্বুলেন্স, মাহিন্দ্রসহ রিক্সা ও ভ্যানের চাকা ঢুকে পড়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার সাপলেজা এবং মৎস্য আহরণ কেন্দ্র পাথরঘাটার চরদুয়ানীগামী সড়কের আবাসন সংলগ্ন দু’টি ব্রীজের অবস্থাই নাজুক। একটি ব্রীজ থেকে অপর ব্রীজের দূরত্ব মাত্র ৫’শ ফুট। বহু পুরনো হওয়ায় ব্রীজের স্লিপারে মরিচা ধরে বড় বড় খাদের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রুহুল আমীন জানান, ব্রীজ দু’টি বিগত এরশাদ সরকার আমলের তৈরী করা হয়েছিল। এরপর থেকে আর কোন সংস্কার করা হয়নি। স্থানীয় কচুবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান জানান, ভাঙা ব্রীজ দিয়ে স্কুলে যেতে আসতে কষ্ট হয়। এছাড়া ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষার্থী তামিম জানান, লায়লা মালেকিয়া মাদ্রাসায় পরীক্ষা দিতে যাবার সময় ব্রীজের খাদে পা ঢুকে গিয়ে আহত হয়েছি।

মাহেন্দ্র চালক আব্দুস সোবাহান জানান, ব্রীজ পারাপারের সময় যাত্রীদের গাড়ি থেকে নামিয়ে সাবধানের পার হই। তারপরেও ব্রীজের ফাঁকে চাকা আটকে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

সাপলেজা ইউপি চেয়ারম্যান মিরাজ মিয়া জানান, গত ২৫/৩০ বছর আগের এ ব্রীজ দুটি নির্মাণের পর গত ৫ বছর আগেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। মাঝখানে কর্তৃপক্ষ নাম মাত্র সংস্কার করলেও বেশীদিন স্থায়ী হয়নি। দুই উপজেলার জনসাধারণের চলাচলকারী এ ব্রীজ দিয়ে যাত্রীবাহী বাস ও মালবাহী পিকআপসহ জনসাধারণ খাদের মধ্যে পড়ে গিয়ে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।

উপজেলা প্রকৌশলী বদরুল আলম বলেন, ওই ব্রীজ দু’টি বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। অর্থ বরাদ্ধ পেলে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।

সময়ের কণ্ঠস্বর/রবি

◷ ৩:৫৩ অপরাহ্ন ৷ বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৩০, ২০১৭ দেশের খবর, বরিশাল