সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ১৫ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় হরতাল সমর্থকদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জে আহত ১০, আটক ৭

৫:২৯ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৩০, ২০১৭ দেশের খবর, রংপুর

মোঃ ফরহাদ আকন্দ, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা জেলা শহরে পুলিশের সাথে বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার নেতাকর্মীদের হাতাহাতি ও লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে।

পরে সিপিবি, বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চাসহ বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাতজনকে আটক করে পুলিশষ। এ ঘটনায় ১০জন নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

গাইবান্ধা সদর থানার পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, সকালে হরতালের সমর্থনে সিপিবি, বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করে। মিছিলটি জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ডিবি রোডের ১নম্বর ট্রাফিক মোড়ে আসাদুজ্জামান মার্কেটের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এসময় নেতাকর্মীরা শ্লোগান দেওয়া শুরু করলে পুলিশ এসে বাঁধা দেয়।

এদিকে পুলিশের সাথে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে নেতাকর্মীদের উপর লাঠিচার্জ করে। এসময় সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি মিহির ঘোষসহ, সিপিবি, বাসদ, গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাতজন নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ।

সিপিবি গাইবান্ধা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল শেষে আমরা আসাদুজ্জামান মার্কেটের সামনে গিয়ে দাড়ালে কোন প্রকার উস্কানি ছাড়াই পুলিশ এসে আমাদের উপর হামলা চালায়। এতে আমাদের ১০জন নেতাকর্মী আহত হয় ও সাতজনকে আটক করে পুলিশ। পরে জেলা সদর হাসপাতাল থেকে আরও তিনজনকে আটক করে পুলিশ।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাঁন মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, সিপিবি, বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চাসহ বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা মিছিল শেষে সড়কে বসে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাদেরকে সরানোর সময় ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এসময় কয়েকজনকে ঢিল ছোড়ে। সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে কাউকে আটক করা হয়েছে বলে আমার জানা নেই। এছাড়া হরতালে মানুষকে জানমালের নিরাপত্তায় জেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে টহল ও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

সময়ের কণ্ঠস্বর/রবি