সংবাদ শিরোনাম

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্তরোহিঙ্গা শিশু অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় নারীসহ দু’জন গ্রেপ্তারবেলকুচিতে দূর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ে গেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান !জামালপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণ, গ্রেফতার মাদ্রাসার শিক্ষক‘করোনাকালের নারী নেতৃত্ব: গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব’বগুড়ায় শিক্ষা প্রনোদনা পেতে প্রত্যয়নের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগজামালপুরে ধর্ষণ মামলায় ধর্ষকের যাবজ্জীবনপাবনায় অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, চারটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার-২উপজেলা আ.লীগের সভাপতিকে ‘পেটালেন’ কাদের মির্জা!কে কত বড় নেতা, সবাইকে আমি চিনি: কাদের মির্জা

  • আজ ২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

লো স্কোরিং ম্যাচে ক্ষুব্ধ মাশরাফী, সংবাদ সম্মেলনে এসে যা জানালেন দুই দলের অধিনায়ক

৭:৫৬ অপরাহ্ন | শনিবার, ডিসেম্বর ২, ২০১৭ খেলা, স্পট লাইট

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক: চট্টগ্রাম পর্বে বিপিএল জমে উঠেছিল দারুণ। বিশেষ করে খেলাটা যখন রানের, তখন রানের বন্যা না বইলে দর্শকও মেতে ওঠার কথা নয়। সে কারণে চট্টগ্রামে বিপিএল দর্শক মাতিয়ে তুলতে পেরেছিল বেশ। প্রতিটি ম্যাচই বলতে গেলে হয়েছে হাই স্কোরিং। ২১১ এবং ২১৩ রানের বিশাল দুটি স্কোরও হয়েছে চট্টগ্রাম পর্বে।

দশদিনের বিরতি দিয়ে অবশেষে আবারও ঢাকায় শুরু হয়েছে বিপিএলের গ্রুপ পর্বের শেষাংশ। লম্বা বিরতিতে সবাই ভেবেছিল ঢাকার উইকেটও হয়ে উঠবে হাই স্কোরিং। তারওপর ঢাকায় ফিরতি পর্ব শুরু হয়েছে ছুটির দিনে। ম্যাচটাও হাইভোল্টেজ। মুখোমুখি হয়েছিলেন মাশরাফি-তামিম। কিন্তু কোথায় কী। পুরো পানসে একটি ম্যাচ উপহার দিল ঢাকায় ফিরতি পর্বের প্রথম দিন। পকেটের টাকা খরচ করে যারা গ্যালারিতে এসেছিলেন খেলা দেখতে, তারা যারপরনাই হতাশ। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটও এত লো স্কোরিং হয়!

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটসম্যানভর্তি রংপুর রাইডার্সই কি না অলআউট হয়ে গেলো ৯৭ রানে! তিন অংকের ফিগারও ছুঁতে পারলো না মাশরাফির দল। সবাই ভেবেছিল ম্যাচটা বুঝি সেখানেই শেষ; কিন্তু উইকেট বুঝি অলক্ষ্যে হাসছিল তখনও। ৯৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে যে ঘাম ছোটাতে হয়েছে কুমিল্লাকেও!

একেবারে শেষ ওভারে গিয়ে মাত্র ৩ বল হাতে রেখে, ৬ উইকেট হারিয়ে তবেই জয় নিশ্চিত করতে হয়েছে কুমিল্লাকে। টি-টোয়েন্টিতে এতটা লো স্কোরিং ম্যাচ দেখলে যে কারোরই মেজাজ খারাপ হওয়ার কথা। হয়েছে খোদ রংপুর এবং কুমিল্লার দুই অধিনায়ক মাশরাফি এবং তামিমেরও। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছিলেন দুই দলের অধিনায়ক। সেখানে কি না তারা ম্যাচের চালচিত্র নিয়ে কথা না বলে শুধু বাজে উইকেট নিয়েই নিজেদের মতামত জানিয়ে গেলেন।

ম্যাচ জিতেছেন তামিম ইকবাল; কিন্তু জিতেও উইকেটের আচরণ দেখে চরম হতাশ তিনি। খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে উইকেট সম্পর্কে কিছু বলতে বলা হলো তামিমকে। মুখ গোমড়া করে তিনি জানিয়ে দিলেন, উইকেট দেখে চরম হতাশ তিনি। বিপিএলের মত টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে এমন উইকেট কোনোভাবেই কাম্য নয় তার।

তামিম বললেন, ‘ম্যাচ জেতার পরও আমি উইকেটের কথা বলবো, উইকেটের সমালোচনা করবো। ঘাঁটের পয়সা করে স্টেডিয়ামভর্তি দর্শক এসেছেন মাঠে খেলা দেখতে। ছুটির দিনে তারা চেয়েছিলেন নির্মল আনন্দ। সুন্দর ও আকর্ষনীয় ক্রিকেট। চার-ছক্কার ফুলঝুড়ি দেখার বদলে তারা দেখলেন চরম বাজে উইকেট। যে উইকেটে একদল ৯৭তে অলআউট হলো। সেই রান টপকাতে গিয়ে শেষ ওভার পর্যন্ত খেলতে হলো বাকি দলকে।’

উইকেটের এমন বাজে অবস্থা নিয়ে কিউরেটরের ওপরই ক্ষোভ ঝাড়লেন তামিম। তিনি ক্ষোভমাখা কণ্ঠে উল্টো জানিয়ে দিলেন, ‘কিউরেটরকে সংবাদ সম্মেলনে এনে প্রশ্ন করা উচিৎ, কেন উইকেটের এত খারাপ অবস্থা?’
তামিমের মত একই কথা মাশরাফি বিন মর্তুজারও। তার কথা, টি-টোয়েন্টি হচ্ছে রানের খেলা। যেখানে হবে চার-ছক্কার অবাধ প্রদর্শনী। সেখানে যদি মাঝারি মানের গতির বোলারের (সাইফউদ্দিন) বলও লাফিয়ে মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়, আর স্পিনারদের বল বড় বড় টার্ন করে, তখন আর কীই বা বলার থাকে। এটা তো আর তখন টি-টোয়েন্টি ম্যাচ থাকে না।’

মাশরাফির প্রশ্ন- ‘দশদিন বিরতির পরও উইকেটের এ অবস্থা কেন? তা খতিয়ে দেখা খুবই জরুরি। টি-টোয়েন্টিতে যদি রান করা বাদ দিয়ে উইকেট বাঁচানোর চিন্তা করে খেলতে হয়, তাহলে এই খেলার আর কী থাকে? তাহলে তো আর এটাকে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বলা যায় না। এ যেন অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ সিরিজের টেস্ট উইকেট।’