গফরগাঁওয়ে ইব্রাহীম হত্যাকান্ডের মুল রহস্য উৎঘাটন, গ্রেফতার-৪

৯:৫৮ অপরাহ্ন | শনিবার, ডিসেম্বর ২, ২০১৭ অপরাধ, দেশের খবর

আব্দুল মান্নান পল্টন, ময়মনসিংহ ব্যুারো,
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের আলোচিত ইব্রাহিম হত্যাকান্ডের রহস্য উৎঘাটনসহ নৃশংস এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পৃথক পৃথক অভিযানে ফ্রেফতার হওয়া ৪ জনের তিনজনকে ০২ ডিসেম্বর শনিবার সকালে, আর একজনকে ৩০ নভেম্বর বৃহস্প্রতিবার দুপুরে আদালতে পেরণ করা হয়েছে।

গফরগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) আব্দুল আহাদ খানের নেতৃত্বে গত ২৯ নভেম্বর বুধবার দুপুরে এস আই সুমন, মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এস আই আহসান হাবিবসহ একদল গফরগাঁও থানা পুলিশ গাজিপুরের রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তা থেকে এ হত্যা মামলার অন্যতম আসামী আব্দুছ ছাত্তারকে(৩২) আটক করে।

৩০নভেম্বর বৃহস্প্রতিবার প্রাথমিক জিঙ্গাসাবাদ শেষে পুলিশ আঃ ছাত্তারকে ময়মনসিংহ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে হাজির করে।আদালতে আঃ ছাত্তার তার দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে বাচ্চু,বাছির,নুরুল আমিন,মোস্তফাসহ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের নাম প্রকাশ করেন।

সেই জবানবন্ধীর উপর ভিত্তি করে গত ৩০ নভেম্বর বৃহস্প্রতিবার গভীর রাতে হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত মোঃ বাচ্চু(৩৫), বাছির(৩০) ও নুরুল আমিন(৪৫)কে গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের আসামীদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে গফরগাঁও থানা পুলিশ।
হত্যা মামলাটি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে গফরগাঁও সার্কেলের অতিরিক্ত এসপি মোঃ রায়হানুল ইসলাম ও গফরগাঁও থানার ওসি আব্দুল আহাদ খান এ প্রতিবেধককে জানান চলতি বছরের ৩০ মে রাতে মোঃ ইব্রাহীম(৬০) কে হত্যা করে তার লাশ লুঙ্গি ও গামছা দিয়ে পেচিয়ে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের সান্দাইন গ্রামের নুরুল ইসলামের পাট খেতে ফেলে রেখে যায়।

হত্যাকান্ডের পরের দিন অজ্ঞাত পরিচয়ের এই বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করে গফরগাঁও থানা পুলিশ। হত্যা কান্ডের পরের দিন গফরগাঁও থানার এস আই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাত নামা আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

হত্যাকান্ডের অন্তত ২মাস পর নিহত ইব্রাহিমের পরিচয় পাওয়া যায়। নিহত ইব্রাহিম চির কুমার ছিলেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার পারুলদিয়া গ্রামে। সে ভালুকার বিভিন্ন বাজারে কাচা মালের ব্যবসা করতেন।

গফরগাঁও সার্কেলের অতিরিক্ত এসপি মোঃ রায়হানুল ইসলাম ও গফরগাঁও থানার ওসি আব্দুল আহাদ খান এ প্রতিবেধককে জানান দীর্ঘ তদন্তের পর নিহতের পরিচয়, হত্যা কান্ডের মুল রহস্য উৎঘাটনসহ আসামিদের গ্রেফতার করতে পারায় অক্লান্ত পরিশ্রম ও চেষ্টার স্বার্থক হয়েছে। এতে পুলিশের উপর মানুষের বিশ^াস, আস্থা, ও শ্রদ্ধা বাড়বে বলেও জানান ওসি আব্দুল আহাদ খান। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।