সংবাদ শিরোনাম

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্তরোহিঙ্গা শিশু অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় নারীসহ দু’জন গ্রেপ্তারবেলকুচিতে দূর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ে গেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান !জামালপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণ, গ্রেফতার মাদ্রাসার শিক্ষক‘করোনাকালের নারী নেতৃত্ব: গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব’বগুড়ায় শিক্ষা প্রনোদনা পেতে প্রত্যয়নের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগজামালপুরে ধর্ষণ মামলায় ধর্ষকের যাবজ্জীবনপাবনায় অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, চারটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার-২উপজেলা আ.লীগের সভাপতিকে ‘পেটালেন’ কাদের মির্জা!কে কত বড় নেতা, সবাইকে আমি চিনি: কাদের মির্জা

  • আজ ২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি: গেজেট প্রকাশে আবারও সময় পেল সরকার

১২:৫৯ অপরাহ্ন | রবিবার, ডিসেম্বর ৩, ২০১৭ Breaking News, জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর- নিম্নআদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাবিধিমালার গেজেট প্রকাশে সরকারকে ফের এক সপ্তাহ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

রোববার সকালে রাষ্ট্রপক্ষের দুই সপ্তাহের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এক সপ্তাহ সময় দিয়ে পরবর্তী তারিখ ১০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করেন।

উল্লেখ্য এর আগে আরো কয়েক দফা সময় বাড়ানোর পর গত ৫ নভেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশের নির্দেশনা ছিল আপলি বিভাগের। কিন্তু ওইদিন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ আজ রবিবার (৩ ডিসেম্বর) পর্যন্ত সময় বাড়িয়ে দিয়েছিলেন।

এতে করে নিম্ন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির গেজেট প্রকাশে সরকারকে আবারও ৪ সপ্তাহ সময় দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। কিন্তু আজ রবিবার সর্বশেষ দিন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সময় চেয়ে আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশের আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে সময় আবেদন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

আদালত সূত্র জানায়, ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেয়া হয়। ওই রায়ের আলোকে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল। আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর গত বছরের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় একটি খসড়া শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধি প্রস্তুত করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠায়।

গত বছরের ২৮ আগস্ট এই মামলার শুনানিতে আপিল বিভাগ জানান, শৃঙ্খলা বিধিমালা সংক্রান্ত সরকারের খসড়াটি ছিল ১৯৮৫ সালের সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার হুবহু অনুরূপ, যা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপন্থি। এরপরই সুপ্রিম কোর্ট একটি খসড়া বিধিমালা করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। একইসঙ্গে ওই বছরের ৬ নভেম্বরের মধ্যে তা প্রণয়ন করে প্রতিবেদন আকারে আদালতকে অবহিত করতে আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেয়।

রবি