অজ্ঞাত রোগীর স্বজন ফিরে পেতে অভিনব কৌশল আবিস্কার করলেন ফেনীর নেসার

৭:৪৬ অপরাহ্ন | রবিবার, ডিসেম্বর ৩, ২০১৭ Breaking News, আলোচিত, চট্টগ্রাম, দেশের খবর, স্পট লাইট

আব্দুল্লাহ রিয়েল, ফেনী প্রতিনিধি: বিজ্ঞানের উৎকর্ষতার এই যুগে মানুষ কত কিছুই আবিষ্কার করছেন। ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম নেসার ডিজিটাল বায়োমেট্রিক মেশিনকে কাজে লাগিয়ে অজ্ঞাত রোগীদের স্বজন খুঁজে পেতে এক অভিনব কৌশল আবিষ্কার করতে সক্ষম হলেন। ২০০৭ সাল থেকে অজ্ঞাত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন নেসার। রোগীদের সুস্থ করে দ্রুত স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন অনেককে। দীর্ঘ দিন অজ্ঞাত রোগীদের নিয়ে কাজ করায় তিনি ভাবতে থাকলেন কিভাবে এক জন অজ্ঞাত রোগীকে তার আত্মীয় স্বজনের কাছে দ্রুত পৌছানো যায়। দীর্ঘ দিন গবেষণার পর তিনি নতুন এই কৌশলটি আবিষ্কার করতে সক্ষম হলেন।

তার আবিষ্কৃত কৌশটি তার বন্ধু দাউদুল ইসলাম ও আবদুস সামাদ এর সহযোগীতায় ডায়াগ্রাম আকারে দাঁড় করান। দেশের বেসরকারি চ্যানেল টোয়েন্ট ফোর এ দেয়া এক সাক্ষাতকারে তার এই আইডিয়াটি তুলে ধরেন। তিনি সরকারকে অনুরোধ করে বলেন, বর্তমানে প্রাপ্তবয়ষ্ক সকলেরই বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন করা আছে। এতে ফিংগার প্রিন্ট সহ জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য রয়েছে। দেশের সরকারী হাসপাতাল কিংবা হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট থানা গুলোতে যদি বায়োমেট্রিক যন্ত্র রাখা হয় তাহলে অজ্ঞাত রোগীদের সনাক্ত করা সহজ হবে।

আর অপ্রাপ্ত বয়ষ্কদের ক্ষেত্রে বলেন, শিশু জন্ম গ্রহণ করার পর যদি ফিংগার প্রিন্ট এর সাহায্যে বায়োমেট্রিক এর মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন করা হয় তাহলে শিশু অজ্ঞাত থাকলে তাকেও সহজে খুঁজে পাওয়া যাবে। তিনি মনে করেন এই পদ্ধতি গুলো বাস্তবায়ন হলে অজ্ঞাত রুগীদের পরিচয়হীন ভাবে হাসপাতালে আর পড়ে থাকতে হবেনা। অজ্ঞাত লাশ হয়ে মর্গে পড়ে থাকতে হবেনা। বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজ ও সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন অজ্ঞাত রুগী । পরিচয় শনাক্তের অভাবে স্বজন ফিরে পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এই মানুষ গুলো। নেসার ২০১৬ সালে শুধুই অজ্ঞাত রুগীর স্বজন খুঁজে পেতে একটি ওয়েবসাইট চালু করেছেন। এতে অজ্ঞাত রোগীর তথ্য লিপিবদ্ধ আছে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অজ্ঞাত রোগীদের নিয়ে কাজ করছেন। তার ওয়েব সাইটের ঠিকানা