কুড়িগ্রামে আইনজীবীর জমি জবরদখল, ভাংচুর ও গাছ লুটপাট


খালেক পারভেজ লালু, উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ উলিপুর থানার প্রাচীর সংলগ্ন একজন আইনজীবির বসত বাড়ির চেকার ভেঙ্গে প্রায় ৪ শতক জমি জবর দখল করে বেশ কিছু গাছ কেটে নিয়ে গেছে প্রতিবেশি একটি পরিবার।

থানায় এ বিষয়ে মামলা দায়ের করা হলেও পুলিশ নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ করেছে ওই আইনজীবি। এ ঘটনায় সেখানে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জানা গেছে, উলিপুর পৌরসভার মুন্সিপাড়া গ্রামে থানা সংলগ্ন এলাকার আইনজীবি মহিউল ইসলাম হক্কানীর স্ত্রী রহিমা খাতুনের সাথে প্রতিবেশি নিজাম উদ্দিন জমিজমা সংক্রান্ত মামলায় হেরে যায়। এরপর থেকে রহিমা খাতুনের সাথে নিজাম উদ্দিনের বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করে। এরই জের ধরে গত ২৬ নভেম্বর দিবাগত গভীর রাতে নিজাম উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল দূর্বৃত্ত্ব লাঠিসোটা, রড ও ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বসত বাড়ির টিনের বেড়া ভেঙ্গে প্রায় ২০ বান্ডিল ঢেউটিন নিয়ে যায়।

এ সময় জমিতে ৩ বছর আগে লাগানো ৫০/৬০টি হেমগনি গাছ কেটে ধ্বংস করে এবং কিছু গাছ নিয়ে যায়। এতে প্রায় ২ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরদিন থানার পাশে আইনজীবির বাড়িতে এমন জবর দখলের ঘটনা দেখে এলাকার লোক বিশ্ময় প্রকাশ করে।

এ ব্যাপারে ঐদিনই ওই আইনজীবি নিজাম উদ্দিনসহ ৯জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলা দায়েরের ১০দিন অতিবাহিত হলেও এব্যাপারে পুলিশের রহস্যজনক নিরবতায় সচেতন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

অনুসন্ধ্যানে জানা যায়, আইনজীবি মহিউল ইসলাম হক্কানীর স্ত্রী রহিমা খাতুনের দীর্ঘদিনের ভোগ দখলীয় সম্পত্তি নিয়ে আদালতে মামলা হলে তিনি আদালত কর্তৃক সাড়ে ৯৮ শতক জমির নিষ্কণ্ঠক মালিকানায় ডিগ্রী প্রাপ্ত হন। সেই সূত্রে আদালতের পক্ষে কমিশন জমি পরিমাপ করে দখল বুঝিয়ে দেন। সম্প্রতি আবারও উলিপুর থানার ওসি এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদের তত্বাবধানে তার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে ঐ জমি পরিমাপ কালে কমিশনের মাপ সঠিক বলে প্রতিয়মান হয়।

উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ বলেন, গভীর রাতে বাড়ির বেড়া ভেঙ্গে গাছপালা কেটে নিয়েছে। পরদিন সকালে খবর পেয়ে এ সংক্রান্ত মামলা গ্রহন করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

সময়ের কণ্ঠস্বর/রবি

◷ ৭:২৮ অপরাহ্ন ৷ সোমবার, ডিসেম্বর ৪, ২০১৭ দেশের খবর, রংপুর