ছাতকে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা

৮:২১ অপরাহ্ন | সোমবার, ডিসেম্বর ৪, ২০১৭ অপরাধ, আলোচিত, দেশের খবর

মীর মো. আমান মিয়া লুমান, ছাতক (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা:
ছাতকে এক স্কুল ছাত্রীর ধর্ষনের চেষ্টার ঘটনায় জুয়েল আহমদ(২৪) নামের এক লম্পটের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের চালিতারবাক গ্রামের মৃত বদর উদ্দিনের স্ত্রী ছফিনা বেগম বাদী হয়ে এ মামলা(নং-০৪) দায়ের করেন। জুয়েল আহমদ ছাতক সদর ইউনিয়নের তিররাই-মুক্তিরগাঁও গ্রামের ছিদ্দেক আলীর পুত্র। অভিযোগ থেকে জানা যায়, বিধবা ছফিনা বেগমের এক পুত্র ও ২ কন্যার মধ্যে ভিকটিম স্থানীয় একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৫ম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষা দিয়েছে।

বিদ্যালয়ে যাওয়া আসার পথে প্রায়ই ভিকটিমকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করতো জুয়েল। ঘটনার দিন রোববার দুপুরে হতদরিদ্র ছফিনা বেগম কাজের সন্ধানে ঘরের বাইরে থাকার সুবাধে বখাটে জুয়েল আহমদ ভিকটিমকে একা ঘরে পেয়ে তাকে প্রেম নিবেদন করে। এতে সাড়া না পেয়ে এক পর্যায়ে তাকে ঝাপটে ধরে ধর্ষনের চেষ্টা করে সে। এসময় ভিকটিমের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌছার আগেই জুয়েল আহমদ দৌড়ে পালিয়ে যায়।

ছাতকে যুক্তরাজ্য প্রবাসির উদ্যোগে মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

ছাতকে যুক্তরাজ্য প্রবাসির উদ্যোগে একটি নতুন মসজিদ স্থাপনের আনুষ্ঠানিক ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। সোমবার উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের বোবরাপুর (দিঘলবন্দ) গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় এর উদ্বোধন করা হয়। জানা যায়, বোবরাপুর-দিঘলবন্দ গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসি আলহাজ্ব আব্দুর রউফ তালুকদারের উদ্যোগে মরহুম আছিয়া খাতুন পথিক মসজিদ নামে মরহুম আব্দুল আজিজ মেম্বারের বাড়ির সম্মূখে এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন পূর্ব আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন, আলহাজ্ব আব্দুর রউফ তালুকদার।

কালারুকা দাখিল মাদরাসা সূপার মাওলানা মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সৎপুর কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ (অবঃ) আল্লামা সফিকুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আখলাকুর রহমান, কালারুকা ইউপি চেয়ারম্যান অদুদ আলম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল হক, তকিপুর শাহজালাল একাডেমির প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা আব্দুল হাই, সুনামগঞ্জ জেলা তালামিযের সভাপতি হাফেজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম তালুকদার, ইউপি সদস্য কবির আহমদ।

উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা সাজ্জাদুর রহমান নকিবী, মাওলানা আজির উদ্দিন, সমাজসেবি আব্দুল আউয়াল, গোবিন্দগঞ্জ কেন্দ্রিয় ব্যবসায়ি সমিতির সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম বকুল, হাজি আমির আলী, মাষ্টার আব্দুল লতিফ, শ্রমিক নেতা ফজল উদ্দিন, কাজি মাওলানা আব্দুস শাকুর, হাফেজ কুতুব উদ্দিন, হাফেজ হেলাল আহমদ, মাওলানা কামরান আহমদ, দিঘলবন্দ-আরতানপুর জামে মসজিদের ইমামও খতিব মাওলানা আবু জাফর, জামিল আহমদ, গিয়াস উদ্দিন, মানিক মিয়া, ওলীউর রহমান, শানুর আলম, মদচ্ছির আলী, সাবাজ আলী, মঈনুল ইসলাম, আলা উদ্দিন, শামিম আহমদ, বাবুল মিয়া, সোনাহর আলী, আব্দুল কাইয়ূম, মোশাহিদ আলী, মোহন মিয়া, আব্দুল লতিফ, সামছ উদ্দিন, আব্দুল হাই, মামন্দ আলী, মাসুক মিয়া, রূপ মিয়া, ওয়াছির আলী মেম্বার, নজর আমিন প্রমূখ। সভায় ইউপি চেয়ারম্যান অদুদ আলম ৫০বস্তা ও আখলাকুর রহমান ২০বস্তা এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল হক ২০বস্তা সিমেন্ট প্রদানের ঘোষণা দেন। সভা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন আল্লামা সফিকুর রহমান।

ছাতকে সবজি চাষ করে সফল সমরোজ আলী

ছাতকে সবজি চাষ করে অনেক কৃষকই সফলতা পাচ্ছেন । বার-বার কৃষকের ফসলহানীর পর চলতি মৌসুমে উপজেলার কৃষকরা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সবজি চাষে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। কৃষি বিভাগের পরামর্শে সবজি চাষ করে অনেকেই আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন এখানে।

কৃষকরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চাষ করেছেন লাউ, টমেটো, মুলা, শিম, বেগুন, ধনেপাতা, লালশাক, ডাটা ও রাই-শরিষাসহ বিভিন্ন জাতের শাক-সবজি। ছাতক সদর ইউনিয়নের রাতগাঁও গ্রামের সাবেক মেম্বার সমরোজ আলী প্রায় ৫একর ভুমিতে চাষ করেছেন লাউ, টমেটো, বেগুন ও ক্ষীরা। টমেটো, বেগুন এখনো পরিপক্ষ হয়ে উঠেনি। লাউ ও ক্ষীরা বিক্রি করে প্রায় লক্ষ টাকা উপার্জন করেছেন তিনি।

ক্ষীরা বিক্রি শেষ পর্যায়ে হলেও লাউ এখনো বিক্রি করছেন। এব্যাপারে সমরোজ আলী জানান উপজেলা কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগীতা নিয়ে তিনি সবজি চাষ করে লাভবান হয়েছেন। কৃষি বিভাগ সব সময় তার সবজি বাগান তদারকি করেছেন। উন্নত জাতের বীজ ও কৃষি বিভাগের পরামর্শ নেয়ায় তার বাগানে সবজির ফলন বেশী হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেএম বদরুল হক জানান সবজি চাষে আগ্রহী সকল কৃষকদের পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। বীজ-সারসহ কৃষি উপকরণ দিয়ে কৃষি বিভাগ তাদের সহযোগীতা করেছে। কৃষক সমরোজ আলীকেও সবজি চাষে আগ্রহী করে সহযোগীতা করা হয়েছে।