ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমের বিকল্প প্রস্তাব দিলো সৌদি

১:৪৯ অপরাহ্ন | শনিবার, ডিসেম্বর ৯, ২০১৭ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে পূর্ব জেরুজালেম নয় বরং আবু দিস শহরকে বেছে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল সৌদি আরব। দেশটি বলছে, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি স্থাপনের জন্য এই প্রস্তাব দিয়েছে তারা। খবর মিডলইস্ট মনিটর ও নিউইয়র্ক টাইমসের।

গত নভেম্বরে রিয়াদ সফরকালে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে এই প্রস্তাব দেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান। এ প্রস্তাব মেনে নেওয়ার জন্য ফিলিস্তিনকে দুই মাসের সময়ও বেঁধে দেয় সৌদি সরকার।

সৌদির ওই প্রস্তাব অনুযায়ী, পশ্চিম তীর ও গাজার মধ্যে একটি আংশিক রাষ্ট্র পাবে ফিলিস্তিন। যেখানে তাদের আংশিক সার্বভৌমত্ব থাকবে। একইসঙ্গে পশ্চিম তীরে ইহুদীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে থাকবে।

একজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, সৌদি আরবের এই পরিকল্পনা কোনো ফিলিস্তিনি নেতার পক্ষে মেনে নেয়া সম্ভব না। তবে সৌদি আরব, ফিলিস্তিনি সরকার এবং হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ ধরনের প্রস্তাবের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে।

এরই মধ্যে এই প্রস্তাবের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিবাদ জানিয়েছে ফিলিস্তিনিরা। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে #জেরুজালেমইজদ্যক্যাপিটালঅবপ্যালেস্টাইন হ্যাশট্যাগটি ব্যবহার করছেন।

জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে মার্কিন স্বীকৃতির প্রশ্নে আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখেই সৌদি আরবের এ প্রস্তাব সামনে এলো। যুক্তরাষ্ট্রের ওই পদক্ষেপ ঠেকাতে ইসলামি সম্মেলন সংস্থার (ওআইসি) জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে তুরস্ক। ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়েছে, তারা নিজেদের ইসরায়েলি দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর করবে না।

ইসরায়েলে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের দূত ইমানুয়েল গিয়াউফ্রেট বলেছেন, আমাদের দূতাবাস তেল আবিবেই বহাল থাকবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে জেরুজালেমে দূতাবাস স্থানান্তর করবে না।

জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গ্যাব্রিয়েল বলেছেন, জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি দেওয়া হিতে বিপরীত হবে।

সময়ের কণ্ঠস্বর/রবি