সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আড়াই মাস পেরুলেও বগুড়ার শিক্ষক হত্যাকারীদের শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ

৫:৪৫ অপরাহ্ণ | বুধবার, জুলাই ৪, ২০১৮ দেশের খবর, রাজশাহী

এম নজরুল ইসলাম, বগুড়া করেসপন্ডেন্ট: প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদ (৫৭) খুনের দীর্ঘ ৭৭দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত হত্যাকারীদের শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। এজাহারভুক্ত আসামীদের গ্রেফতারে থানা পুলিশের তৎপরতা নেই বললেই চলে।

গত ১৯ এপ্রিল রাতে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার নশরপুর ইউনিয়নের ডুমরীগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদকে কুপিয়ে ও গোপনাঙ্গ কেটে খুনের ঘটনা ঘটে।

মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে বুধবার (৪ জুলাই) সময়ের কন্ঠস্বর বগুড়া অফিস থেকে আদমদীঘি থানার ওসি ওয়াহেদুজ্জামানের মন্তব্য নিতে থানার সরকারি মোবাইল নাম্বারে বারবার মুঠোফোনে চেষ্টা চলছিল। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করছিলেন না।

অবশেষে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফোন রিসিভ করে তিনি বলেন, কি হয়েছে! বারবার ফোন দেন কেন ? আমি ব্যস্ত আছি, ফোন রাখেন’ বলেই তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এরপর সাথে সাথে বিষয়টি বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার মো. আলী আশরাফ ভুঞা বিপিএম কে জানানো হয়।

এদিকে, প্রধান শিক্ষক হত্যাকান্ডের বিষয়ে থানার ওসি এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রহস্যজনক কারণে নিরব রয়েছেন। হত্যাকান্ডের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামী আফরোজা আদালত থেকে জামিনে মুক্ত। ফলে মামলার বাদী নিহত প্রধান শিক্ষকের ছেলে সাইফুল ইসলাম সহ তার পরিবার হতাশ ও নিরাপত্তার অভাববোধ করছেন বলে জানিয়েছেন।

গত ১৯ এপ্রিল রাতে আদমদীঘির ডুমরীগ্রাম মধ্যপাড়ার বাসিন্দা প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদ (৫৭) বাড়ীর পাশে পুকুরে মাছের খাবার দিতে গিয়ে খুনের শিকার হন।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক তার স্ত্রী আফরোজা বেগম সহ ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো কয়েক জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর আব্দুর রাজ্জাক ও তার স্ত্রী আফরোজাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতদের এক দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেও কোন তথ্য উদঘাটন করতে পারেনি। আফরোজা বেগম আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ায় বাদী সহ তার পরিবার হত্যার বিচার নিয়ে সংশয়ে পড়েছেন।

এ প্রসঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বগুড়ার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (আদমদীঘি সার্কেল) মো. আলমগীর রহমান বলেন, আমি এখন ট্রেনিং কাজে ঢাকায় আছি। তাই এখনি কিছু বলতে পারছি না।