গরমে তিন উপজেলাবাসীর স্বস্তির স্থান বাঞ্ছারামপুরের ‘ওয়াইব্রীজ’

৬:১৬ অপরাহ্ন | শনিবার, জুলাই ২১, ২০১৮ ফিচার

ফয়সল আহমেদ খান, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি :: তীব্র তাপতাহ হতে রক্ষা,একটু স্বস্থির নি:শ্বাস ও হিমেল হাওয়ার পরশ বুলাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর,কুমিল্লার হোমনা ও মুরাদনগর উপজেলার সব শ্রেনি পেশার সব বয়সী মানুষ এখন ভীড় জমিয়েছেন উল্লেখিত তিন উপজেলার ত্রিমোহনায় অবস্থিত এশিয়ার সর্ববৃহত ওয়াইব্রীজে।

গত কয়েকদিন ধরে সারা দেশের মতো বৃহত্তর কুমিল্লাতেও গরমে হাসফাঁস করছিলো শিশু থেকে বৃদ্ধরা।তখন হতে ভীড় করতে থাকে মুল সেতুর উপর।পর্যাপ্ত দখিনা হাওয়া প্রাপ্তি এর মূল কারন।আছে নিরাপত্তা।খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা।

প্রকৌশলীদের নান্দনিক শৈল্পিক সৃষ্টির অনন্য নিদর্শন এই ত্রিমুখী ব্রীজ,-বর্তমানে ৩ উপজেলার বাসিন্দাদের এখন শান্তির ঠিকানা হয়েছে।সকাল-বিকাল ৩ উপেেজলার লোকজন ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে গাড়ি করে সেখানে ভীড় করছে সব বয়সী মানুষ।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নিজস্ব নকশা ও অর্থায়নে ১ শত ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ‘ত্রিমুখী’ ব্রীজ বা ইংরেজী ওয়াই আকৃতির বিধায় এর নাম করন করা হয়েছে ওয়াই ব্রীজ।ব্রীজটির কাজ মুটামুটি শেষ।

‘যে কোন সময় প্রধানমন্ত্রী ওয়াইসেতু উদ্ধোধন করতে পারেন’- বলে জানান এলজিইডি’র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো.ফজলে রাব্বি ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গাীর আলম।

ব্রীজটির একটি মোহনা গিয়েছে মুরাদনগর, একটি বাঞ্ছারামপুরে ও অন্যটি হোমনায়।ফলে, অনায়াসে লোকজন গাড়ি করে কম সময়ে যেতে পারছেন এক উপজেলা হতে অন্য উপজেলায়।