বোমা হামলার নির্দেশদাতা বিএনপি নেতা: টিপু-মন্টুর ফোনালাপ ফাঁস (অডিও)

১২:০০ অপরাহ্ন | রবিবার, জুলাই ২২, ২০১৮ আলোচিত, স্পট লাইট

রবিউল ইসলাম (রবি), সময়ের কণ্ঠস্বর- বিএনপির এক নেতার নির্দেশেই রাজশাহী মহানগরীর সাগরপাড়া বটতলা এলাকায় মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগকালে বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছ থেকে ক্রেডিট ও আওয়ামী লীগের উপর দোষ চাপানোর জন্য শান্ত মনোরম গণসংযোগে এ বোমা হামলা চালানো হয়। এই হামলার কাজে ব্যবহার করেছেন নাটোরের যুবদল কর্মী খালেদ ও জাবেদকে।

সম্প্রতি বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু ও রাজশাহী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম মতিউর রহমান মন্টুর মধ্যে ফোনালাপে বেরিয়ে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য!

নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যে একেএম মতিউর রহমান মন্টুর পরিকল্পনার ফোনালাপের একটি ভয়েস রেকর্ড রোববার সকালে সময়ের কণ্ঠস্বর নিউজ রুমে এসেছে।

গোপন সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুলাই সকাল ১০ টা ৪১ মিনিটে তাইফুল ইসলাম টিপু (০১৭১১৯৩০***) কে একেএম মতিউর রহমান মন্টু (০১৭১১৩৪৯***) ফোন দিয়ে এ বিষয়ে কথা বলেন।

ফাঁস হওয়া ভয়েস রেকর্ডে মন্টুকে বলতে শোনা যায়, গত পরশু দিন রাজশাহীতে যে ঘটনা ঘটেছে শুনেছো নাকি। তাইফুল বলেন বোমা মেরেছে ঐ ঘটনা জানি।

মন্টু বলেন, “কারা এই কাজ করেছে তা কি জানো, আমি যা বলবো তা হজম করতে পারলে জায়গা মতো বলবা। আমাদের দুইজন জড়িত। বিএনপির লোক দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। ভাইয়ের কাছ থেকে ক্রেডিট নেওয়ায় জন্য আমার নির্দেশে কাজ করেছে নাটোরের খালেক আর জাবেদ। জাবেদ হলো শাহিন শওকত ভাইয়ের লোক।”

উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই নগরীর সাগরপাড়া বটতলায় বিএনপির মেয়রপ্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের নির্বাচনী পথসভায় পর পর তিনটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এতে এক সাংবাদিকসহ পাঁচজন আহত হয়।

প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানান, বেলা পৌনে ১১টার দিকে সাগরপাড়া বটতলা মোড়ে বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের পক্ষে কেন্দ্রীয় নেতারা গণসংযোগ চালাচ্ছিলেন।

এ সময় তিনটি মোটরসাইকেল মুখোশধারীরা সেখানে গিয়ে পর পর তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। পরে তারা দ্রুত টিকাপাড়ার রাস্তা দিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর ওই এলাকায় বিএনপির গণসংযোগ বন্ধ হয়ে যায়। লোকজন আতঙ্কিত হয়ে ছুটোছুটি শুরু করে। এতে বাংলাভিশন টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার পরিতোষ চৌধুরী আদিত্যসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন।

এ ঘটনায় নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা হয়।