সংবাদ শিরোনাম

মুশতাকের মৃত্যুকে ঘিরে আন্দোলনে বাতাস দিচ্ছে জঙ্গিগোষ্ঠী: তথ্যমন্ত্রীকক্সবাজারে মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে পিতার যাবজ্জীবনস্বাধীনতা ইশতেহার পাঠের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে টাঙ্গাইলে আলোচনা সভাবকেয়া বেতনের দাবিতে চট্টগ্রামে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধমাদক মামলায় দেশের ইতিহাসে প্রথম ফাঁসির আদেশকৃষকের অনীহা, আমন মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহে ব্যর্থ খাদ্য অধিদফতরনিখোঁজের ৮ দিন পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার; পরিবারের দাবি হত্যাখালেদা জিয়ার আবেদন আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীতিস্তা টোল প্লাজায় আট লাখ ৭০ হাজার ভারতীয় রুপিসহ আটক ১শতাধিক যুবকের রঙিন চুল কাটালো পুলিশ

  • আজ ১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

৪০ শিশুকে ধর্ষণ! দেহের খোঁজে মাটি খুঁড়ছে পুলিশ

৫:১৭ অপরাহ্ন | সোমবার, জুলাই ২৩, ২০১৮ অপরাধ, আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিহারের এক সরকারি হোমে ৪০ জন নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল। শুধু তাই নয়, এক আবাসিককে পিটিয়ে খুন করে হোমেরই মাটিতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

সোমবার সকালে মুজফ্‌ফপুরের ওই সরকারি হোমে তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ। এ মাসে ২১ জন আবাসিককে উদ্ধার করে পুলিশ। পাশাপাশি, হোমের মাটি খুঁড়ে তল্লাশি চালানো হয়।

ধর্ষণের অভিযোগে জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিককেও এ দিন গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া আবাসিকদের মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়। ১৬ জনকে নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।

অভিযোগটা উঠছিল অনেক দিন ধরেই। টাটা ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্সেস (টিআইএসএস)-এর সৌজন্যেই শেষমেশ বিষয়টি সামনে আসে।

বিহারের হোমগুলিতে অডিটের কাজ করছিল তারা। হোমেরই বেশ কয়েক জন আবাসিকের সঙ্গে কথা বলার পরই তারা জানতে পারেন ধর্ষণের কথা, নারকীয় পরিস্থিতির কথা।বিষয়টি সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে যায়। নড়েচড়ে বসে রাজ্য ও জেলা প্রশাসন। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যাঁদের মধ্যে কয়েক জন সরকারি আধিকারিকও রয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট তৈরি হয়েছে। আরও প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। যে মেডিক্যাল রিপোর্ট হাতে এসেছে তাতে জানা গিয়েছে যে সব আবাসিকদের ধর্ষণ করা হয়েছে তাদের বয়স ৭ থেকে ১৬ বছর।

এই ঘটনা সামনে আসার পরই রাজ্য রাজনীতি বেশ সরগরম হয়ে উঠেছে। আরজেডি এই ঘটনার জন্য নীতীশ সরকারের ব্যর্থতাকেই দায়ী করেছে।

অস্বস্তিতে পড়েছে রাজ্য সরকারও। তেজস্বী যাদববলেন, “গত মার্চ থেকে রাজ্য সরকার মুজফ্‌ফরপুরের এই হোমের ধর্ষণের ঘটনা জানত। এই ঘটনার সঙ্গে অনেক রাজনীতিবিদ, প্রশাসনিক আধিকারিক জড়িয়ে আছেন।

এত কিছু জানা সত্ত্বেও কোনও ব্যবস্থা তো নেয়নি সরকার, উল্টে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।’’