এমপি লিটন হত্যা: স্ত্রীসহ ২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

৭:০১ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, জুলাই ২৪, ২০১৮ অপরাধ, আলোচিত

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় আদালতে দুজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।

গাইবান্ধার পাবলিক প্রসিকিউটর শফিকুল ইসলাম শফিক জানান, ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন তার বাড়ির ড্রয়িংরুমে অবস্থানকালে একদল দুর্বৃত্ত ওই রুমে ঢুকে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

মঙ্গলবার গাইবান্ধার জেলা ও দায়রা জজ রাশেদা সুলতানার আদালতে নিহতের স্ত্রী সৈয়দা খুরশিদ জাহান স্মৃতিসহ ২ জন সাক্ষীর সাক্ষীগ্রহণ করা হয়।

এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রাতেই তিনি মারা যান। পরে তার ছোট বোন ফাহমিদা বুলবুল কাকলী বাদী হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দীর্ঘ তদন্তের পর হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন জাতীয় পার্টি নেতা ওই এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকতা ডা. কর্নেল আব্দুল কাদের খান। ওই চার্জশিটে হত্যাকাণ্ডে ৮ জনকে আসামি হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

পুলিশ কাদের খানসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করতে পারলেও অপর আসামি চন্দন কুমার রায়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি। সে ভারতে পালিয়ে গেছে।

সাক্ষীরা হত্যাকাণ্ড-পরবর্তী পরিস্থিতিসহ গুরুতর আহত এমপি লিটনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত ঘটনার বর্ণনা দেন। এ দু’জনসহ চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১১জন তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন।

মঙ্গলবার আদালতে নিহতের স্ত্রী সৈয়দা খুরশিদ জাহান স্মৃতিসহ ৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করার কথা ছিল। কিন্তু সাক্ষীদের মধ্যে আব্দুল কাফি বিদেশে অবস্থান করায় ও বেনজির আহমেদ লিংকন মারা যাওয়ায় নিহত এমপি লিটনের স্ত্রী সৈয়দা খুরশিদ জাহান স্মৃতি ও প্রতিবেশী আল ইবনে রাজ্জাক ওরফে নয়নের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।