সংবাদ শিরোনাম

বাংলাদেশকে তিস্তার পানি না দেয়ার সাফ ঘোষণা মমতারশ্বশুরবাড়ি যাওয়ার আগে কাঁদতে কাঁদতেই মারাই গেলেন কনে!এবার ‘টোকাই’ হয়ে আসছেন হিরো আলমহাসপাতালের ওষুধ পাচারের ছবি তোলায় ১০ সংবাদকর্মী তালাবদ্ধবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রীনির্মাণকাজ শেষের আগেই ‘মডেল মসজিদের’ বিভিন্ন স্থানে ফাটলআহসানউল্লাহ মাস্টারসহ ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কারঐতিহাসিক ৭ মার্চের সুবর্ণ জয়ন্তী: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে মানুষের ঢলচট্টগ্রাম কারাগারে হাজতি নিখোঁজ, জেলার-ডেপুটি জেলার প্রত্যাহারদেবীগঞ্জে ট্রাক্টরের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

  • আজ ২৩শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

এমডিসহ এক ডজন কর্মকর্তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা

৮:০৭ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, জুলাই ২৪, ২০১৮ স্পট লাইট

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: দিনাজপুরে বড় পুকুরিয়া খনি থেকে প্রায় দেড় লাখ টন কয়লা গায়েব করার ঘটনায় জড়িত অভিযোগে কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহমেদসহ চার শীর্ষ কর্মকর্তার বিদেশ গমনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অন্য আরও যে তিন কর্মকর্তার বিদেশ গমনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় তারা হলেন- পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির (বিসিএমসিএল) জিএম আবুল কাশেম প্রধানীয়া, জিএম আবু তাহের মো. নুরুজ্জামান ও ডিজিএম একেএম খালেদুল ইসলাম।

অনুন্ধানের প্রয়োজনে আরও অন্তত এক ডজন কর্মকর্তার বিদেশ গমনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।

মঙ্গলবার দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা উপপরিচালক মো. সামসুল আলমের স্বাক্ষরে পুলিশের বিশেষ শাখা ও ইমিগ্রেশন বিভাগে পাঠানো চিঠিতে এই চারজনের বিদেশ গমনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

এদিকে দুদকের পরিচালক ও কয়লা খনি দুর্নীতির ঘটনা অনুসন্ধানে তদারককারী কর্মকর্তা কাজী শফিক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. সামসুল আলমের নেতৃত্বে দুদকের একটি টিম মঙ্গলবার পেট্রোবাংলা ও পিডিবির চেয়ারম্যানের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে তাদের বক্তব্য নিয়েছে। তারা পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ ও পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদের কাছে কয়লা খনির অনিয়মের বিষয়ে বেশকিছু তথ্য চেয়েছে বলে জানা গেছে।

দুদক সূত্রে জানা যায়, অনুসন্ধান টিম যেসব তথ্য চেয়েছে তার মধ্যে ২০০১ সাল থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত বড় পুকরিয়া কয়লা খনির উৎপাদন, বিতরণ ও মজুদের তথ্য। এই প্রতিষ্ঠান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত উৎপাদনের প্রকৃত হিসাব। কয়লা নিয়ে অনিয়মের ঘটনায় করা অডিট রিপোর্ট ও বিভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন।

এ ছাড়া ২০০১ সাল থেকে এ পর্যন্ত কতজন কর্মকর্তা খনির এমডি ডিএমডি, জিএম ও ডিজিএমের দায়িত্বপালন করেছেন তাদের বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে।

এদিকে দুদক সচিব মো. শামসুল আরেফিন মঙ্গলবার দুপুরে তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, বড় পুকুরিয়া খনির অনিয়মের ঘটনা ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে অনুসন্ধান শেষ করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। অনুসন্ধান শেষে খনির কয়লা সরানোর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি বলেন, অনুসন্ধানের স্বার্থে যে কাউকে দুদক টিম তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসবে তাদের কাইকে ছাড় দেয়া হবে না।

কমিটির প্রধান উপপরিচালক শামসুল আলম এবং অপর দুই সদস্য হলেন দুদকের সহকারী পরিচালক এএসএম সাজ্জাদ হোসেন ও উপ-সহকারী পরিচালক এএসএম তাজুল ইসলাম।

এর আগে কয়লা উধাওয়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ জুলাই তিন সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে দুদক। কমিটিকে আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার কথা বলা হয়েছে।