সংবাদ শিরোনাম

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্তরোহিঙ্গা শিশু অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় নারীসহ দু’জন গ্রেপ্তারবেলকুচিতে দূর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ে গেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান !জামালপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণ, গ্রেফতার মাদ্রাসার শিক্ষক‘করোনাকালের নারী নেতৃত্ব: গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব’বগুড়ায় শিক্ষা প্রনোদনা পেতে প্রত্যয়নের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগজামালপুরে ধর্ষণ মামলায় ধর্ষকের যাবজ্জীবনপাবনায় অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, চারটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার-২উপজেলা আ.লীগের সভাপতিকে ‘পেটালেন’ কাদের মির্জা!কে কত বড় নেতা, সবাইকে আমি চিনি: কাদের মির্জা

  • আজ ২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

খাঁচায় মাছ চাষ করে দিন বদলের সপ্ন দেখছে মহম্মদপুরের চাষিরা

১১:৩১ পূর্বাহ্ন | বুধবার, জুলাই ২৫, ২০১৮ খুলনা, দেশের খবর

মতিন রহমান, মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার মধুমতি নদীতে ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ শুরু করে দিন বদলের স্বপ্ন দেখছে চাষিরা। বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে খাঁচায় মাছ চাষের পদ্ধতি। মাছ চাষের নতুন এই পদ্ধতি দেখে স্থানীয় বেকার যুবক ও ভূমিহীন মৎস্যজীবীরা ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষে আগ্রহী হচ্ছে।

মাছ চাষিরা জানান, মহম্মদপুর সদরের এ্যালাংখালী ব্রীজ ঘাট সংলগ্ন মধুমতি নদীতে ৩০টি খাঁচায় মাছ চাষ শুরু করেছেন স্থানীয় ৬০ জন মৎস্য চাষিরা। ২০ জনের একটি দল ১০টি খাঁচায় মাছ চাষের জন্য উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে দুই লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।

সেই সঙ্গে খাবার ও অন্যান্য খরচ বাবদ আরো প্রায় ২ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে এ বাজেটে। ৩০টি খাঁচায় প্রায় ৬ লক্ষ টাকা সরকারি অনুদান নিয়ে প্রথমত চাষ শুরু করা হয়েছে।

শুরুতে খাঁচাগুলোতে ‘মনোসেক্স’ জাতের তেলাপিয়া মাছের পোনা ছাড়া হয়েছে। পোনা ছাড়ার কয়েক মাস পর মাছের ওজন ও সঠিক পরিচর্যা থাকলে প্রতিটি খাঁচায় প্রায় ১০-১৫ হাজার টাকা লাভের আশা করছে চাষিরা।

মহম্মদপুর সিবিজি প্রদর্শনীর দলের নেতা পংকজ কুমার সিংহ রায় জানান, সরকারি উদ্যোগে আরো বেশি সংখ্যক চাষিকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দিলে এই পদ্ধতি আরো বেশি প্রসার লাভ করবে। এতে এলাকার বেকার যুবকরা স্বাবলম্বী হতে পারবে এবং মাছের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মীর মোঃ লিয়াকত হোসেন বলেন, বেকার সমস্যা দূরীকরন ও মৎস্য জীবীদের স্বাবলম্বী করার উদ্দেশ্যে মহম্মদপুরে খাঁচায় মাছ চাষ শুরু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এলাকার বিভিন্ন লোকের মধ্যে এই পদ্ধতি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

খাঁচা পদ্ধতি সফল হলে এলাকায় আরও অনেক বেকার যুবকরা খাঁচায় মাছ চাষে আগ্রাহী হবে। সিবিজি প্রকল্প দেখে অনেকে এই পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে আমাদের কাছে আসতে শুরু করেছে। আমরাও তাদেরকে পরামর্শের মাধ্যমে সহায়তা করার সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।

মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান বলেন, স্বল্প পুঁজি নিয়েই খাঁচা পদ্ধতিতে মাছ চাষ করা যায়। এ পদ্ধতিতে নদীতে অধিক ঘনত্বে দ্রুত মাছের উৎপাদন সম্ভব। ফলে অল্প সময়ে অধিক মাছ উৎপাদন করে মাছে ঘাটতি পূরন করা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে এর মাধ্যমে এলাকায় বেকারত্ব কমিয়ে আনা যাবে বলে তিনি আশা ব্যাক্ত করেন। যারা এ পদ্ধতিতে মাছ চাষ করতে আগ্রহী হবে তাদেরকে উপজেলা প্রশাসন থেকে সার্বিক সহযোগীতা করা হবে বলেও জানান তিনি।