আ’লীগ নেতা ও পুলিশী হয়রানি থেকে মুক্তি চায় সেনাপরিবার!


ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী প্রতিনিধি :: অপরাধ করলে শাস্তি হবে আইনের প্রক্রিয়ায়, বাদি ও বিবাদির মাঝে বড় দেয়াল আ’লীগ নেতা ও থানা পুলিশ। অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্যের পরিবার বিপাকে।

বগুড়া জেলার শাজাহানপুর থানাধীন সাজাপুর কাগজিপাড়ার অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য গোলাম রসুল স্থানীয় থানা পুলিশ এবং আ’লীগ নেতার দৌরাত্ম্যে দিশেহারা।

অনুসন্ধান করে জানা যায়, বগুড়া সেনানীবাসের এনসিও একাডেমীর ম্যসেঞ্জার রফিক (নৌবাহীনির পিয়ন এবং ঝাড়ুদার) চাকুরীর জন্য গাজীপুর জেলার টঙ্গিথানাধীন বনমালা এলাকার ড্রাইভার কাঞ্চন আলীর ছেলে কাওছাড়কে ৪ লক্ষ টাকা উপঢ়ৌকন দিয়েছিল। কিন্ত সময়ের ব্যবধানে দালাল সেনাবাহীনি চাকুরী চ্যুত কাওছাড় তার কাজে ব্যর্থ হয়। কিন্ত বিপদের জালে আটকে পড়েছেন কাওছাড়ের মামা গোলাম রসুল।

এ বিষয়ে গোলাম রসুল জানান, কাওছারের শ্বশুড় ফজলুল করিম চাকুরীর মূল দালাল, সে খানাসামা পদে বঙ্গভবনে চকুরী করছে। তদুপরি কাওছাড় রাজশাহী জেলার চারঘাট থানার কুঠিপাড়া গ্রামের ইয়াছিনের ছেলে পুলিশ সদস্য ইছাহক আলীর নিকট থেকেও ২ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছে। তবে ঘটনার পরস্পর আত্মীয়র বন্ধনে মামার কাঁধে জোয়াল।

প্রসঙ্গত, রসুলের স্ত্রী কমলা বেগম গনমাধ্যমকে বলেন, তদন্ত ওসি আবুল কালাম আজাদ, তাকে এবং তার স্বামীর বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিয়েছে এবং পুলিশের ডিআইজর সুপারিশ সে মানবেনা বলে আচরন খারপ করেছে। শুধু তাই নই উপজেলা আ’লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন বাবলুর দলিয় ক্ষমতা এবং থানা পুলিশের যোগসুত্রে সহজ পথ খুজে পাচ্ছে না।

ওই ঘটনার বিষয়ে শাজাহানপুর থানা ওসি লতিবুল করিম কিছুই জানেন না। তবে এএসআই সঞ্জয় কুমার ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন আইন সঙ্গত কাজ করার তিনি চেষ্টা করছেন তবে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সিন্ধান্তই চুড়ান্ত।

◷ ৬:১৭ অপরাহ্ন ৷ বুধবার, জুলাই ২৫, ২০১৮ দেশের খবর, রাজশাহী