স্বপ্ন জয়ের প্রত্যাশী ফারজানা

মোহাম্মদ আরীফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ হাওড় অঞ্চল থেকে: চাকরি যেখানে সোনার হরিণ, সেখানে চাকরির আশায় বসে না থেকে আত্মকর্ম সংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েও যে বেঁচে থাকা যায় তার দৃষ্টান্ত মেলে ফারজানার কাছে।

শুধু শহুরের মেয়েরাই নয়, পল্লী গাঁয়ের মেয়েরাও যে চাকরির গন্ডি পেরিয়ে নিজে ও এলাকার বেকার মহিলাদের কর্মসংস্থানের পথ সৃষ্টি করে স্বাচ্ছন্দ্যে চলতে জানে তা শেখালেন কুলিয়ারচরের মেয়ে ফারজানা। বড়খারচর গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের মেয়ে ফারজানা। ১০ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ৪র্থ। আলিফ বিজ্ঞান কারিগরি কলেজ থেকে ২০১৫ইং সালে এইচএসসি পাশ করেন তিনি। চাকরি না করে নিজেকে ও এলাকার বেকার নারীদের জন্য নিজ গ্রামে ফারজানা ফ্যাশন নামে একটি মিনি গার্মেন্টস স্থাপন করেন।

এছাড়া বেকার নারীদের দেশ ও সংসারের বোঝা মুক্ত করতে সেলাই প্রশিক্ষণ সহ হস্ত শিল্পের নানা প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন তিনি। তার প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ৪০ জন নারী কর্মী রয়েছে। নারীদের যাবতীয় পোশাক তৈরী সহ ফারজানা ফ্যাশন গার্মেন্টেস এ তৈরী হচ্ছে নকশী কাঁথা। যে নকশী কাঁথা কালের বিবর্তনে দেশ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।

ফারজানা বলেন, চাকরির চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে আমার এ পথ ধরা। দেশে মেধার মূল্যায়ণ নেই, চাকরি মেলে টাকার মূল্যে। আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আমি গ্রামের বেকার নারীদের জন্য একটি ইন্ডাষ্ট্রি করবো। বেকার নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিই আমার প্রত্যাশা। গ্রামের লোকজন আমাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার নানা সাহস যোগাচ্ছে।