সংবাদ শিরোনাম
রাঙ্গা সম্পর্কে কটূক্তি করার প্রতিবাদে রংপুরে ফিরোজ রশীদের কুশপুত্তলিকা দাহ | ময়মনসিংহে অনলাইন জিডির উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | ইবির ভর্তি পরীক্ষাঃ ‘এ’ ইউনিটে জিরো থেকে হিরো এক শিক্ষার্থী | মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠির দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি বাকৃবি প্রশাসন | ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহের চেষ্টা, কাজী ও বরকে কারাদণ্ড | টাঙ্গাইলে আবারো কালীমন্দিরে ভাংচুর | ৫ কেজি চালের দামে ১ কেজি পেঁয়াজ! | ‘সিগন্যাল ব্যবস্থাপনায় ত্রুটির কারণে উল্লাপাড়ায় দুর্ঘটনা’- রেল সচিব | ‘জঙ্গিদের কাছে কোরআন-হাদিসের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে’- গণপূর্ত মন্ত্রী | পেঁয়াজের দাম বাড়ানো ব্যবসায়ীদের ক্রসফায়ারের দাবি সংসদে |
  • আজ ৩০শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

তেল বা চর্বিযুক্ত খাবার খেলেও শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমবে না! এও কি সম্ভব?

১:৫১ অপরাহ্ণ | সোমবার, আগস্ট ১৩, ২০১৮ আপনার স্বাস্থ্য, তথ্য জাদুঘর, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

স্বাস্থ্য ডেস্ক- আপনি যতই চর্বিযুক্ত খাবার খান না কেন, গায়ে মেদ জমার সুযোগ থাকবে না – এও কি সম্ভব? হ্যাঁ! বিশেষ এক ধরণের ওষুধের মাধ্যমে মানবদেহে এই বৈশিষ্ট্য পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন গবেষক।

এই গবেষণার সহ রচয়িতা ও গবেষক ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যান এরিখম্যান জানান খুব সহজেই আবিষ্কার করা যেতে পারে এ ধরণের ওষুধ।

এরিখম্যান বলেন, “আমার যতটুকু জানতে পারি, চর্বি পাকস্থলিতে জমা হয়। রসবাহী ধমণী (লিম্ফ্যাটিক ভেসেল), যেগুলোকে ল্যাকটিওস বলা হয়, এর মাধ্যমে চর্বি জমা হয় পাকস্থলিতে।”

তিনি জানান চর্বি উপাদানগুলো ছিদ্রের মাধ্যমে সহজেই ল্যাকটিওসের ভেতরে প্রবেশ করে। এই ছিদ্রগুলোকে বলা হয় ‘বাটন’।

জানা যায়, ল্যাবরেটরিতে তৈরী করা কিছু ইঁদুরের ওপর একটি পরীক্ষা চালান গবেষকরা। ইঁদুরগুলোর দেহে অবস্থিত ল্যাকটিওসে ঐ ‘বাটন’ বা ছিদ্রগুলো ছিল না। যার ফলে ছিদ্রের মাধ্যমে ইঁদুরের দেহে চর্বি প্রবেশ করার বা জমার কোনো সুযোগ ছিল না।

তিনি বলেন, “দুইটি জিন পরিবর্তন করে বিশেষভাবে তৈরী করা হয়েছে এই ইঁদুরগুলোকে। আমাদের তৈরী করা ইঁদুরগুলোর দেহের ল্যাকটিওসে ঐ ছিদ্রগুলো নেই। কাজেই উচ্চ মাত্রায় চর্বিযুক্ত খাবার খেলেও ইঁদুরগুলোর ওজন খুব একটা বাড়েনি।”

গবেষকরা দেখতে চেয়েছিলেন এই প্রভাবগুলো প্রাণীর দেহে কোনো ওষুধের মাধ্যমে তৈরী করা যায় কিনা। এমন একটি ওষুধ যা ল্যাকটিওসের ছিদ্রগুলো বন্ধ করে এবং চর্বি শোষণ থেকে বিরত রাখে।

যুক্তরাষ্ট্রে গ্লুকোমা রোগীদের জন্য এই ধরণের ওষুধ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। জাপান ও চীনেও বিশেষ ক্ষেত্রে ডাক্তাররা এধরণের ওষুধের বিধান দিয়ে থাকে বলে জানান এরিখম্যান।

তিনি বলেন, আমাদের ধারণা, এই ধরণের ওষুধ ওজন কমানো এবং মানবদেহে স্থূলতার বিরুদ্ধেও ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে মানুষের দেহে কার্যকরীভাবে ব্যবহারের আগে কি পরিমাণে ব্যবহার করা উচিত এবং এর পরিণাম কি হতে পারে সেবিষয়ে সুষ্ঠ যাচাই-বাছাই প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন এরিখম্যান।

একইসাথে এর ব্যবহারে কি কি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে সেবিষয়েও পরীক্ষা নিরীক্ষা করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, “নতুন কোনো ওষুধ তৈরী করে বাজারজাত করতে ১২ থেকে ১৫ বছর লেগে যায়।”

“এক্ষেত্রে যেহেতু ওষুধ রয়েছেই, সেটিকেই মানবদেহে ব্যবহারের জন্য উপযোগী হিসেবে তৈরী করা যায় কিনা সেবিষয়ে কাজ করার চিন্তা করছি আমরা।” বিবিসি

Loading...