সংবাদ শিরোনাম
রাঙ্গা সম্পর্কে কটূক্তি করার প্রতিবাদে রংপুরে ফিরোজ রশীদের কুশপুত্তলিকা দাহ | ময়মনসিংহে অনলাইন জিডির উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | ইবির ভর্তি পরীক্ষাঃ ‘এ’ ইউনিটে জিরো থেকে হিরো এক শিক্ষার্থী | মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠির দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি বাকৃবি প্রশাসন | ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহের চেষ্টা, কাজী ও বরকে কারাদণ্ড | টাঙ্গাইলে আবারো কালীমন্দিরে ভাংচুর | ৫ কেজি চালের দামে ১ কেজি পেঁয়াজ! | ‘সিগন্যাল ব্যবস্থাপনায় ত্রুটির কারণে উল্লাপাড়ায় দুর্ঘটনা’- রেল সচিব | ‘জঙ্গিদের কাছে কোরআন-হাদিসের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে’- গণপূর্ত মন্ত্রী | পেঁয়াজের দাম বাড়ানো ব্যবসায়ীদের ক্রসফায়ারের দাবি সংসদে |
  • আজ ৩০শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মহাসাগরে ভাসমান মসজিদ, প্রতি ৩ মিনিট পরপর খুলে যায় ছাদ

১২:১৫ অপরাহ্ণ | সোমবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৮ ইসলাম, তথ্য জাদুঘর, স্পট লাইট

তথ্য জাদুঘর ডেস্ক- পৃথিবীতে অনেক আশ্চর্যজনক ঘটনার খবর আমরা দেখেছি কিন্তু কখনও শুনিনি পানিতে মসজিদ ভাসতে পারে। এবার এমনই এক মসজিদের কাহিনী রয়েছে আপনাদের জন্য।

পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের একটি হলো ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান। যার কথা শুনলে মনে হবে বিশাল এক বাগান যেনো শূন্যে ঝুলে রয়েছে আর বাতাসে দোল খাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে ব্যাপারটি কিন্তু তা নয়। দূর হতে দেখলে মনে হবে ভেসে রয়েছে কিন্তু আসলে ভেসে নেই। এমন একটি মসজিদ রয়েছে মরক্কোয়। দৃষ্টিনন্দন পানিতে ভাসমান এ মসজিদটির নাম গ্র্যান্ড মস্ক হাসান–২ বা দ্বিতীয় হাসান মসজিদ।

বাদশাহ দ্বিতীয় হাসান কাসাব্লাঙ্কা শহরে এ মসজিদটি তৈরি করেছেন। মসজিদটির নির্মাণ কাজ করেছেন ফরাসি কোম্পানি বয়গিসের প্রকৌশলীরা। আর এর নকশা তৈরি করেছিলেন ফরাসি স্থপতি মিশেল পিনচিউ। একে ভাসমান মসজিদ বলার কারণ মসজিদটির তিনভাগের একভাগ আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর অবস্থিত।

মসজিদটিতে প্রায় ১ লাখ মানুষ একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারেন। এর মিনারের উচ্চতা ২০০ মিটার। আর মেঝে থেকে ছাদের উচ্চতা ৬৫ মিটার। মসজিদের ছাদটি প্রতি ৩ মিনিট পরপর যান্ত্রিকভাবে খুলে যায় বলে এর ভেতরে আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারে। তবে বৃষ্টির সময় ছাদটি খোলা হয় না।

২২.২৪ একর জায়গার ওপর অবস্থিত এ মসজিদের মূল ভবনের সঙ্গেই আছে লাইব্রেরি, কোরআন শিক্ষালয়, ওজুখানা এবং কনফারেন্স রুম। ২৫০০ পিলারের ওপর স্থাপিত এ মসজিদের ভেতরের পুরোটাই টাইলস বসানো। মসজিদ এলাকার আশপাশে সাজানো আছে ১২৪টি ঝরণা এবং ৫০টি ক্রিস্টালের ঝাড়বাতি।

মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৮৭ সালের আগস্ট মাসে। প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিক ও কারুশিল্পীর পরিশ্রমে এটি প্রায় সাত বছরে নির্মিত হয়। ১৯৯৩ সালের ঈদে মিলাদুন্নবীর দিনে মসজিদটির উদ্বোধন করা হয়। সেসময় এটি নির্মাণ করতে ব্যয় হয়েছে ৮০ কোটি ডলার।

Loading...