🕓 সংবাদ শিরোনাম

একটা কার্ড করে দেনা বাজান, খেয়ে বাঁচি ! ফুলবাডীতে সামদ্রিক শৈবাল চাষের প্রোজেক্ট পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারপটুয়াখালীতে চাল আত্মসাতের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তারসরকার আইন-আদালতকে নিজের সুবিধায় ইচ্ছেমত ব্যবহার করছে -মির্জা ফখরুলআগুন নিয়ে খেলবেন না: নেতানিয়াহুকে হামাসপ্রধানইসরাইলের চেলসিকে হারিয়ে মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন ‘বাংলাদেশের’হামজাপ্রবল বেগে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘টিকটিকি’রোহিঙ্গা শিবিরে ডাকাতের গুলিতে রোহিঙ্গা নেতা নিহতশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ললকডাউন বাড়ানোর অনুমোদন দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • আজ রবিবার, ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৬ মে, ২০২১ ৷

মেয়েকে ধর্ষণ মামলার আসামি সেই বাবা গ্রেফতার


❏ সোমবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৮ অপরাধ, দেশের খবর

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: চাটমোহরে মেয়েকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগে রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে অভিযুক্ত বাবা আনু মন্ডলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের অমৃতকুন্ডা (রেলবাজার) এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাসির উদ্দিন ও সঙ্গীয় ফোর্স। সোমবার তাকে আদালতের ম্যাধ্যমে পাবনা জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ।

এর আগে গত ২৫ আগস্ট শুক্রবার রাতে চাটমোহর থানায় বাবা আনু মন্ডল ও সৎ ভাই রিপন হোসেনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন পাশবিক নির্যাতনের শিকার ওই মেয়েটি। মামলা নং-১২। এছাড়া এই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা পাওয়ায় গত একসপ্তাহ আগে সৎ মা ফেরদৌসি বেগমকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাসির হোসেন জানান, ‘মামলা দায়েরের পর এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় আনু মন্ডল ও তার ছেলে রিপন হোসেন। তবে প্রযুক্তির সহযোগিতায় আনু মন্ডলকে রোববার রাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। রিপনকে ধরতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।’

উল্লেখ্য, উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের বালুদিয়ার দক্ষিণপাড়া গ্রামের গুড় ব্যবসায়ী আনু মন্ডল তার প্রথম পক্ষের ছেলে মিলে দিনের পর দিন তার দ্বিতীয় স্ত্রীর ছোট মেয়েকে (নির্যাতনের শিকার) পাশবিক নির্যাতন চালায়।

এরপর মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে অতিসম্প্রতি তাকে ঢাকায় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে গর্ভপাত করান আনু মন্ডল। মামলায় এমনই অভিযোগ করেছেন পাশবিক নির্যাতনের শিকার ওই মেয়েটি (১৪)। পরে বিষয়টি এলাকায় জানজানি হলে তোলপাড় শুরু হয়। গাঢাকা দেয় অভিযুক্ত বাবা-ছেলে।