‘রাসনা নিটিং’ কারখানার এমডি খুনের অভিযোগ

❏ বুধবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮ ঢাকা, দেশের খবর

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট: গাজীপুরে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে এক পোশাক কারখানা কর্মকর্তাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

মৃত সবুজ পাঠান (২৫) গাজীপুর সিটি করপোরেশনের জরুন এলাকার ‘রাসনা নিটিং’ কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, ৩০ অগাস্ট রাতে জরুন এলাকার বাসা থেকে তাকে ডেকে নেন এক নারী। পরদিন তার লাশ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় গত রোববার সবুজের স্ত্রী বাপ্পী আক্তার বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে তুরাগ থানায় মামলা করেছেন। এছাড়া ময়নাতদন্তের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে লাশ উত্তোলনেরও আবেদন করা হবে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ৩০ অগাস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুর নগরীর কোনাবাড়ির এক নারী (২৫) তার ঢাকার উত্তরার বাসায় সবুজকে নিয়ে যান। পরদিন রাত সোয়া ২টার দিকে বাদীর চাচাত ভাইয়ের মোবাইলে ফোন করে জানানো হয় সবুজ গুরুতর অসুস্থ হয়েছেন। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

পরে অ্যাম্বুলেন্সে লাশ সবুজের বড় বোনের বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তার গলা ও অণ্ডকোষে আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

সবুজের বড় বোন শাহিদা বেগম বলেন, ওই মেয়েটির উত্তরার বাসায় আগেও সবুজের যাতায়াত ছিল। সে সম্পর্কের সূত্র ধরেই তার ফোন পেয়ে সেদিন সবুজ উত্তরা গিয়েছিল। তারপরই সবুজকে হত্যা করা হয়েছে।

তুরাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) দুলাল হোসেন বলেন, ওই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী তুরাগ থানায় একটি মামলা করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। মামলায় ওই নারীসহ সাতজনকে আসামি করা হয় বলে তিনি জানান।

সবুজের বড় বোন শাহিদা বেগম আরও জানান, ওইদিন লাশ দাফনের আগে তারা সবুজের গলা ও অণ্ডকোষে আঘাতের চিহ্ন দেখলেও তাৎক্ষণিকভাবে ময়নাতদন্ত কিংবা মামলা করার বিষয়টি ভাবতে পারেননি। তাই ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন করা হয়।

কিন্তু পরে তারা মনে করছেন সবুজকে হত্যা করা হয়েছে। তাই ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উত্তোলন করতে তারা আদালতে আবেদন করবেন বলে জানান শাহিদা।