১৫০ ফুট নীচে পড়ে যাওয়া গাড়ী থেকে ১২ শিক্ষার্থীসহ ১৭ জনকে উদ্ধার করলো সেনাবাহিনী


❏ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮ চট্টগ্রাম, দেশের খবর

এস.কে খগেশপ্রতি চন্দ্র খোকন,লামা: মহিলা  দলের হ্যান্ড বল ও ফুটবল খেলা শেষে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল এন্ড কসমো কলেজের খেলোয়াডদের বহনকারী একটি জীপ গাড়ী রাস্তা থেকে দেড়শত ফুট নীচে পড়ে গিয়ে ১২ শিক্ষার্থী খেলোয়াডসহ চারজন শিক্ষক ও ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে আশংকা জনক অবস্থায় দুই ছাত্রীসহ চার শিক্ষককে কক্সবাজার ও চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে চারটার সময় লামা- সুয়ালক সড়কের ডিসি রোড নামক স্থানে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত  শিক্ষক মোঃ জাহেদুর ইসলাম(৩৫), মোঃ শাহ আলম(৪১), জেজমিন(২৩), খতিজা (২৫) ও ছাত্রী- নাদিরা(১৩),  এবং জুই(১৩)কে কক্সবাজরা ও চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে এবং বাকী ছাতীদদের এবং ড্রাইভারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে  বলে জানিয়েছেন লামা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জিয়াউল হায়দার।

আহত ৬ষ্ট শ্রেণীর শিক্ষার্থী খেলোয়াড় আয়শা, শাহানা ও তিন্নি বলেন, গাড়ীটি চলন্ত অবস্থায় রাস্তা থেকে নীচে পড়ে যাচ্ছে দেখে সবাই চিল্লাচ্ছিলো আর গড়িয়ে গড়িয়ে গাড়িটি অনেক নীচে পড়ে যায়। এর পর সবাই রক্তাক্ত আর অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকে। কিছুক্ষনের মধ্যে সেনাবাহিনী এসে নীচ থেকে আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসতে থাকে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোস্তাফিজুরন বলেন,  বাংলাদেল জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসার গ্রীস্মকালীন ক্রিড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করতে ৪০ কিলোমিটার দূর থেকে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী মহিলা খেলোয়াডরা হ্যান্ডবল আর ফুটবল খেলতে লামা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আসে। তাদের লামা আদর্শ বালিকা উচ্চ ববিদ্যালয় দলের সাথে খেলা ছিলো। তারা খেলায় জয়ী হয়ে বিদ্যালয়ে ফিরে যাওয়ার সময় এ দূর্ঘটনায় পতিত হয়। লামা সাব জোনের সেনাবাহিনী গিয়ে তাদের প্রত্যেককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

এ দিকে লামা সাব-জোনের কমান্ডার মেজর মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, কোয়ান্টামের শিক্ষার্থী খেলোয়াডদের বহনকারী জীপ গাড়িটি দূর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি গাড়িটি রাস্তা থেকে প্রায় একশত ৫০ ফুট নীচে পড়ে আছে এবং শিক্ষার্থীরা কান্না করছিলো। আমরা নিচ থেকে সকলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি।

এ ব্যাপারে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজা নাহা এ প্রতিবেদককে ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করেন।