🕓 সংবাদ শিরোনাম

খেলার আগে মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন কুড়িগ্রামের ক্রিকেটারেরাপাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে থানায় নেওয়া হলো প্রথম আলোর রোজিনা ইসলামকেকর্মস্থলে ফিরতে গাদাগাদি করে রাজধানীমুখী লাখো মানুষশেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরবত্রিশালে সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুতে নিহতের বাড়ীতে চলছে শোকের মাতমকলাপাড়ায় এক সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধারটাঙ্গাইলে কৃষক শুকুর মাহমুদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার-১

  • আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

ট্রাম্পের দেখা করব না -এরদোগান


❏ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃতুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান সেপ্টেম্বরের শেষদিকে জাতিসংঘের সভাগুলোতে যোগ দেবেন, তবে যুক্তরাষ্ট্র-তুরস্ক বিরোধের কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে তিনি দেখা করবেন না। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার মানবিজ শহর থেকে ওয়াইপিজি যোদ্ধাদের প্রত্যাহার বিষয়ে স্বাক্ষরিত একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তির বাস্তবায়ন বিলম্বিত করছে।

৩ সেপ্টেম্বর কিরঘিজস্তানের রাজধানী বিশকেক থেকে আংকারায় ফিরে এরদোগান সাংবাদিকদের বলেন, কাজটিতে দেরি করা হচ্ছে। আমাদের এটা দেখতে হবে। আমরা ভালো জায়গায় নেই। আমরা যে চুক্তিতে পৌঁছেছিলাম তা সঠিক পথে বাস্তবায়িত হচ্ছে না।

প্রেসিডেন্ট এরদোগান যে চুক্তির কথা বলেছেন তা ৪ জুন স্বাক্ষরিত হয়েছিল তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রী মেভলুত কাভোসোগলু ও তার মার্কিন প্রতিপক্ষ মাইক পম্পেওর মধ্যে। এতে তুরস্কে নিষিদ্ধ ঘোষিত কুর্দি গ্রæপ পিকেকের সিরীয় শাখা ওয়াইপিজির যোদ্ধাদের মানবিজ থেকে প্রত্যাহার এবং শহরটি তুর্কি ও মার্কিন সৈন্যদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়ার কথা।
তুর্কি কর্মকর্তারা বলেন, ওয়াইপিজি যোদ্ধাদের প্রত্যাহারসহ সব প্রক্রিয়া ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তুর্কি ও মার্কিন সৈন্যরা এখনো সেখানে যৌথ টহল মিশন শুরু করেনি। ঐ অঞ্চলে দুদেশের সামরিক প্রশিক্ষণ বিলম্বিত করার জন্যই তা ঘটেছে।

এরদোগান আশা প্রকাশ করেন যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাভাসগলু ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হুলুসি আকারের সাথে তাদের মার্কিন প্রতিপক্ষের বৈঠকের পর চুক্তি বাস্তবায়নের নতুন প্রক্রিয়া শুরু হবে।

তিনি বলেন, একটি নতুন প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং মানবিজ ও তেল রিফাত যৌথ নিয়ন্ত্রণে নেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আমি আশা করি।

আংকারা সিরিয়া বিষয়ে নয়া বিশেষ প্রতিনিধি নিযুক্ত জেমস জেফ্রিকে স্বাগত জানানোর জন্য প্রস্তুতি নেয়ার মধ্যে এরদোগানের কাছ থেকে এ কথা শোনা গেল। জেফ্রি বাগদাদে মার্কিন দূত নিযুক্ত হওয়ার আগে ২০০৮-২০১০ মেয়াদে তুরস্কে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন।

এরদোগান বলেন, আমি জেফ্রির নিয়োগকে সঠিক সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখছি। তার সাথে তিনি আংকারায় রাষ্ট্রদূত থাকার সময় থেকেই আমার বন্ধুত্ব রয়েছে। আংকারা মনে করে যে বিশেষ করে ব্রেট ম্যাকগার্কের পর তার নিয়োগ ইতিবাচক ঘটনা। কারণ,সিরিয়ার ক্ষেত্রে ম্যাকগার্কের কর্মকান্ড আংকারার ক্রোধ সৃষ্টি করে।

এক প্রশ্নের জবাবে এরদোগান জোর দিয়ে বলেন, মার্কিন ধর্মযাজক অ্যান্ড্রু ব্রানসনের আটকের ব্যাপারে আইনগত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, ধর্মযাজকের মুক্তির ব্যাপারে তুরস্ক ওয়াশিংটনের কোনো বেআইনি দাবি মানবে না।

তুরস্ক যদি নতুন মার্কিন অবরোধের সম্মুখীন হতে না চায় তাহলে ধর্ম যাজককে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার মার্কিন আহবান নাকচ করে বলেন, তুরস্ক আইনের শাসন সমুন্নত রাখবে। কোনো অবৈধ দাবি বিবেচনা করা হবে না।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে এখন যা ঘটছে তা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে হাল্কব্যাংক ডেপুটি জেনারেল ডাইরেক্টর হাকান আতিলার কথা বলা যায়। হাল্কব্যাংক ও তারঃ ডেপুটি ম্যানেজার কী অন্যায় করেছে? তার কোনো প্রমাণ নেই। তারা আইনের কোনো পরোয়া করেন না। তারা নিজের সম্পর্কে মনে করে যে আমি আমিই ঠিক, কারণ আমার শক্তি আছে। কৌশলগত ন্যাটো মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মতভেদ এবং তুরস্কের বিরুদ্ধে দেশটির অন্যায় পদেক্ষেপের ব্যাপারে অসন্তোষ প্রকাশ করে এ কথা বলেন।

এরদোগান বলেন, এসব ঠিক নয়। কোনো কৌশলগত অংশীদারের জন্য এভাবে অগ্রসর হওয়া ঠিক নয়। আমি প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট হিসেবে গত ১৬ বছর কাজ করেছি। এমনও সময় গেছে যখন আমরা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সরবরাহ পাইনি। অথচ সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো কোনো অর্থ না দিয়েই সকল প্রকার অস্ত্র পেয়ে যায়। আর সে অস্ত্র আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে। তিনি প্রশ্ন করেন, এটা কি ধরনের কৌশলগত অংশীদারিত্ব?