ইত্যাদি এবার নীলফামারীতে

১২:১৬ অপরাহ্ন | রবিবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৮ বিনোদন

বিনোদন প্রতিবেদক- আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য-সভ্যতা-সংস্কৃতিকে জানা এবং জানানোর প্রত্যাশায় বিভিন্ন স্থানে গিয়ে ইত্যাদি ধারণের ধারাবাহিকতায় এবারের পর্ব ধারণ করা হয়েছে উত্তরের প্রাচীন জনপদ নীলফামারীতে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডের অভ্যন্তরে নীলফামারীর বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী জিনিস দিয়ে সাজানো মঞ্চে ধারণ করা হয় এবারের ইত্যাদি। ইপিজেডের অভ্যন্তরে বর্ণিল আলোয় আলোকিত মঞ্চের সামনে দর্শক ছিলেন কয়েক হাজার শ্রমজীবী মানুষ ও নীলফামারীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সুধীজন।

এবারের ইত্যাদিতে মূল গান রয়েছে একটি। নীলফামারীর সন্তান ইবরার টিপুর সংগীতায়োজনে এ অঞ্চলেরই প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো একটি চটকা গান করা হয়। ইবরার টিপুর সঙ্গে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন টি ডাব্লিউ সৈনিক, ফারুক ভূইয়া, তাজ, শাহীন ও সহশিল্পীরা।

এ ছাড়াও নীলফামারীকে নিয়ে মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের কথায় এবং মেহেদীর সংগীতায়োজনে একটি গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেছে উত্তরা ইপিজেডের এক দল শ্রমজীবী মানুষ। নাচটির কোরিওগ্রাফি করেছেন মোহাম্মদ রাব্বি আল কাওসার রাজু। কণ্ঠ দিয়েছেন আবু বকর সিদ্দিকী, ফারুক ভূইয়া, রিয়াদ ও অন্যরা।

দর্শক পর্বের নিয়ম অনুযায়ী ধারণস্থান নীলফামারীকে ঘিরে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে হাজার হাজার দর্শকের মাঝখান থেকে ৩ জন দর্শক নির্বাচন করা হয়। দ্বিতীয় পর্বে নির্বাচিত দর্শকরা আঞ্চলিক ভাষায় একটি নাট্যাংশে অভিনয় করেন। যা ছিল বেশ উপভোগ্য। দর্শকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন নীলফামারীর কৃতী সন্তান, বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। এই পর্বে হানিফ সংকেতের সঙ্গে রয়েছে তার একটি ভিন্নরকম সাক্ষাৎকার।

নিয়মিত পর্বসহ এবারও রয়েছে বিভিন্ন সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে বেশ কিছু সরস অথচ তীক্ষ নাট্যাংশ। নিজ স্বার্থ পরমার্থ, শিশু সুরক্ষায় সংগঠন, ক্যামেরা আতঙ্ক, খাঁটি মানুষ তৈরির কারখানা, গণমাধ্যমের গণপরামর্শ কেন্দ্র, মোবাইল ফোন বিড়ম্বনাসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর রয়েছে বেশ কয়েকটি নাট্যাংশ।

বরাবরের মতো এবারও ইত্যাদির শিল্প নির্দেশনা ও মঞ্চ পরিকল্পনায় ছিলেন ইত্যাদির নিয়মিত শিল্প নির্দেশক মুকিমুল আনোয়ার মুকিম।

হানিফ সংকেতের রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনায় এবারের ইত্যাদি প্রচার হবে ৫ অক্টোবর শুক্রবার রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর। অনুষ্ঠানটি পুনঃপ্রচার করা হবে আগামী ৭ অক্টোবর রবিবার রাত ১০টার ইংরেজি সংবাদের পর।