ব্যারিস্টার মইনুলের বিরুদ্ধে এক ঘটনায় এত মামলায় বিস্ময় হাইকোর্টের

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক:এক ঘটনায় ব্যারিস্টার মইনুলের বিরুদ্ধে এত মামলায় বিস্ময় প্রকাশ করে হাইকোর্ট বলেছেন ক্ষুব্ধ ব্যক্তিবাদে অন্য কেউ এত মামলা কেন করে।

সেই সাথে প্রাক্তন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের জরুরী ভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে আগামী রোববারের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

রংপুর কারা কর্তৃপক্ষ ও রংপুর মেডিকেল কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। এই সঙ্গে এই সময়ে রংপুর থেকে অন্য কোন জেলায় স্থানান্তরের সময় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন কে যথাযথ নিরাপত্তা দিতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার পৃথক দুই আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো: ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আগামী রোববার এই রিট আবেদন দুটির পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

আদালতে ব্যারিস্টার মইনুলের পক্ষে পক্ষে করেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক।

এর আগে বিশেষায়িত হাসপাতালে ব্যারিস্টার মইনুলের চিকিৎসা ও রংপুর আদালতে লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনা সরকারের নিস্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়। মইনুলের স্ত্রী সাজু হোসেন এ্ রিট দায়ের করেন।

গত ০৩ নভেম্বর ব্যারিস্টার মইনুল রংপুর কারাগারে পাঠানো হয়। রংপুরে করা মানহানির এক মামলায় গত ২২ অক্টোবর ঢাকার উত্তরা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রংপুরের বাসিন্দা মিলি মায়া বেগম ২২ অক্টোবর আদালতে মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। ওই দিনই তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

গত ১৬ অক্টোবর একাত্তর টেলিভিশন চ্যানেলের একটি টক শোতে আলোচনার একপর্যায়ে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’ বলে মন্তব্য করেন মইনুল হোসেন। তাঁর এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এ ঘটনায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এখন পর্যন্ত ২২টি মামলা হয়েছে।