• আজ ১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবার কার্যকরী কিছু টিপস

১০:৩৫ অপরাহ্ন | শনিবার, নভেম্বর ১০, ২০১৮ লাইফস্টাইল

লাইফস্টাইল ডেস্ক :: দেখতে দেখতে বছর প্রায় শেষ। প্রথম, দ্বিতীয় পার হয়ে শিশুদের সমাপনী পরীক্ষা সামনেই। অনেক স্কুলে প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক বা প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা অধিক গুরুত্বের সাথে নেয়া না হলেও সমাপনী পরীক্ষাকে মূল পরীক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আবার অনেক স্কুলে তিনটি পরীক্ষা যোগ করে ফলাফল নির্ধারণ করা হয়।

যেভাবেই হোক প্রতিটি পরীক্ষাই শিশুর জন্য সমান গুরুত্বের। এক্ষেত্রে কোনো একটি পরীক্ষাকে অবহেলা করলে শিশুর নিয়মানুবর্তিতায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। এখন ক্ষতির তুলনা না করে বরং সামনে যা তাই নিয়ে প্রস্তুত হওয়া উচিত।

সময়ের হিসেবে এখন প্রস্তুতি নেবার শেষ মুহূর্ত। সমাপনী পরীক্ষা নিয়ে অভিভাবকদের এখনই টেবিলে বসার সময়। এখনই সময় পরিপূর্ণ লক্ষ্য নিয়ে কাজ করার। শিশুরা বেশিরভাগ সময় পরীক্ষার গুরুত্ব বুঝতে পারে না, পারার কথাও নয়।

তাদের কাছে স্কুল একটি খেলার জায়গা। শিশুরা হাসতে হাসতে খেলতে খেলতে স্কুলে যায়-আসে। কখন পরীক্ষা, সে পরীক্ষার গুরুত্ব কতটুকু তা নিয়ে বেশিরভাগ সময়ই তাদের মাথা ব্যথা থাকে না। কিন্তু অভিভাবক হিসেবে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। কেননা, শিশু বয়স থেকেই তাকে স্কুল, পড়াশোনা, পরীক্ষার সাথে সংযোগ করতে না পারলে আদতে শিশুর মেধার ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

শিশুদের উৎকর্ষতার জন্য আমরা যা বলে থাকি তা মূলত অভিভাবকের জন্যই। শিশু তো নিজে নিজে তাদের পরিচর্যা করতে পারে না। তাদেরকে দেখভাল করতে হয়। তাদের কাজকে এগিয়ে দিতে হয়, ধরিয়ে দিতে হয়। তারা ভবিষ্যত নিয়ে নিজ থেকে কিছুই ভাবতে চায় না।

অভিভাবকদের চোখ-কান খোলা রেখে তাদেরকে টেনে তুলতে হয় একটি ট্রেনে। বিলম্ব বা অমনোযোগী হলেই ট্রেন ফেল, আর শিশুর ক্ষতি। যেহেতু কয়েকদিন পরেই শিশুদের স্কুলে পরীক্ষা শুরু, সুতরাং তার পরীক্ষার প্রস্তুতিটা হতে হবে জোরেশোরে।

সবার আগে নিজেকে একটু ফ্রি করে নিন। অনেক ব্যস্ত থাকলেও শিশুর জন্য কিছুটা সময় আলাদা বরাদ্দ রাখুন। নিয়মিত শিশুটিকে নিয়ে টেবিলে বসুন। তার সিলেবাস খুব ভালোভাবে নিজের দখলে নিয়ে নিন।

প্রতিটি বিষয় কয়েকবার করে পাঠ করুন ও পাঠ করান। বারবার পাঠ করাতে করাতে অধ্যায়গুলোর সাথে শিশুকে পরিচয় করিয়ে দিন।
শুধু মুখস্থের উপর জোর না দিয়ে বিষয়টি নিয়ে শিশুর সাথে বন্ধুর মতো আলোচনা করুন। যতটুকু পারা যায় তাকে বিষয়টি বুঝিয়ে বলুন।

শিশুদের মুখস্থ-জ্ঞান প্রখর হলেও বোঝা ও মুখস্থের সাথে সাথে তাকে নিজ থেকে বাড়তি কিছু বলার-লেখার অভ্যাস গড়ে দিন।
পড়ার পাশাপাশি না দেখে লেখার চর্চা করান।

শিশুকে খেলতে খেলতে, খেতে খেতে, গল্প করতে করতে পড়াটা ধরুন। দেখুন সে কতটুকু বলতে পারে। পরীক্ষা কোনও চাপ, তা যেন সে অনুভব না করে। বাসায় পরীক্ষার মতো করে একটি পরিবেশ সাজিয়ে তাকে সহজ করতে পারেন। ফলাফল অনেক ভালো করতে হবে, সবার থেকে ভালো করতে হবে, প্রথম হতে হবে, এমনটি করবেন না। যতটুকু তার সিলেবাসে আছে তাকে শুধু ততটুকু পড়িয়ে দিন, লেখিয়ে দিন।

পরীক্ষার সময় শিশুর যা যা প্রয়োজন তা আগেই জুগিয়ে রাখুন। কোনটির কী কাজ তাকে বুঝিয়ে ও চর্চা করিয়ে প্রস্তুত করুন। প্রশ্নের উত্তর লেখার সাথে সাথে খাতার পরিচ্ছন্নতাগুলোও তাকে বুঝিয়ে দিন। কোনোভাবেই পরীক্ষা নিয়ে শিশুর মনে ভয় ধরিয়ে দেবেন না।

প্রয়োজন হলে স্কুল শিক্ষকদের সাথে একান্তে পরামর্শ করুন। শিশুর খাদ্যাভ্যাসের প্রতি খেয়াল রাখুন।

শুধু চুল পাকা রোধ নয়, নতুন চুল গজাবে

সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২০

দুপুরে টক দই খেলে যেসব উপকার পাবেন

রবিবার, অক্টোবর ১১, ২০২০

acil অস্বস্তিকর আঁচিল দূর করার ঘরোয়া উপায়

রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২০

সাত ঘণ্টার কম ঘুমে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ে

বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২০

children-height সন্তানের উচ্চতা বাড়াতে যা করবেন

বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২০

add আদা-চায়ের যত উপকার

মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২০