🕓 সংবাদ শিরোনাম

কর্মস্থলে ফিরতে গাদাগাদি করে রাজধানীমুখী লাখো মানুষশেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরবত্রিশালে সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুতে নিহতের বাড়ীতে চলছে শোকের মাতমকলাপাড়ায় এক সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধারটাঙ্গাইলে কৃষক শুকুর মাহমুদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার-১ফরিদপুরে নানা আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিতজামালপুরে ঘর মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিন জনের মৃত্যু

  • আজ সোমবার, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৭ মে, ২০২১ ৷

ফরিদপুর-১ আসনে প্রচারণায় নেই বিএনপি, মাঠ চষে বেড়াচ্ছে আ'লীগ


❏ বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২০, ২০১৮ ঢাকা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী-মধুখালী-আলফাডাঙ্গা) আসনে নির্বাচনী প্রচারণা বেশ জমে উঠেছে।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ পুরোদমে নির্বাচনী প্রচারণায় থাকলেও বিএনপির নেতা-কর্মীরা তেমন একটা প্রচারণায় নেই। পুলিশী আতংকে প্রচারণায় বিএনপি নেতারা থাকতে পারছেন না এমন অভিযোগ করেছে দলটির সিনিয়র নেতারা। ফরিদপুর-১ আসনটি আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত। এ আসনটিতে বর্তমান সাংসদ আব্দুর রহমান মনোনয়ন পাননি।

মনোনয়ন চেয়েও পাননি সাবেক এমপি কাজী সিরাজুল ইসলাম, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদার, কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান দোলন, হোমিওপ্যাথী বোর্ডের চেয়ারম্যান দিলিপ রায়, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও দৈনিক নবচেতনার সম্পাদক লায়ন সাখাওয়াত হোসেন, বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এম মোশাররফ হোসেন মুশা মিয়াসহ কয়েক হেভিওয়েট প্রার্থী।

তাদের সবাইকে টেক্কা দিয়ে মনোনয়ন বাগিয়ে নিয়েছেন সাবেক সচিব, রুপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মনজুর হোসেন বুলবুল। রাজনীতির মাঠে একেবারেই নবাগত মনজুর হোসেন বুলবুল। অন্যদিকে, বিএনপির প্রার্থী শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর এলাকায় জনপ্রিয় একজন নেতা। একাধিক ভাগে বিভক্ত বিএনপির নেতারা সম্প্রতি একজোট হয়ে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থীকে জেতাতে মাঠে নেমেছেন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনজুর হোসেন বুলবুলকে নিয়ে মাঠে নেমেছেন বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এম এম মোশাররফ হোসেন মুশা মিয়া। যদিও ছাত্রলীগ নেতা লিয়াকত সিকদার, আরিফুর রহমান দোলন নৌকা প্রার্থীর পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে গণসংযোগ চালাচ্ছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে এ আসনে জিততে হলে অনেক ঘাম ঝরাতে হবে। তারা মনে করেন, মনজুর হোসেন বুলবুলকে দুটি শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। একটি তার নিজ দলের এবং অন্যটি প্রতিপক্ষ বিএনপির প্রার্থী।

অনেকেই বলছেন, আওয়ামী লীগের কয়েক নেতা চাইছেন না মনজুর হোসেন বুলবুল বিজয়ী হোক। তাদের ধারণা বুলবুল বিজয়ী হলে দীর্ঘদিন তারা মনোনয়ন বঞ্চিত থাকবেন। এবার বুলবুল হেরে গেলে তারা আগামীতে মনোনয়ন চাইতে পারবেন। ফলে বর্তমানে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা বুলবুলের জন্য প্রকাশ্যে ভোট চাইলেও ভেতরে ভেতরে অন্য খেলা চালাতে পারে।

ভোটার এবং দলীয় নেতাদের নানা হিসাব-নিকাশের মারপ্যাচে কেমন ফলাফল করে আওয়ামী লীগের নবাগত প্রার্থী মনজুর হোসেন বুলবুল সেটাই দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুণছে ফরিদপুর-১ আসনের রাজনীতি সচেতন বোদ্ধারা। বিগত দিনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হেসে খেলে অনায়াসে জিতে গেলেও এবার বিএনপির প্রার্থী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরের সাথে মনজুর হোসেন বুলবুলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে এটি নিশ্চিত। তবে নিজ দলের নেতাদের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বুলবুলের।