🕓 সংবাদ শিরোনাম

কর্মস্থলে ফিরতে গাদাগাদি করে রাজধানীমুখী লাখো মানুষশেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরবত্রিশালে সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুতে নিহতের বাড়ীতে চলছে শোকের মাতমকলাপাড়ায় এক সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধারটাঙ্গাইলে কৃষক শুকুর মাহমুদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার-১ফরিদপুরে নানা আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিতজামালপুরে ঘর মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিন জনের মৃত্যু

  • আজ সোমবার, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৭ মে, ২০২১ ৷

'জয় বাংলা, জিতবে এবার নৌকা' গানটির কারিগর যারা


❏ শুক্রবার, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৮ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর: কয়েকদিন ধরে সবচেয়ে আলোচিত গান 'জয় বাংলা জিতবে এবার নৌকা' গানটি। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী থিম সং এই ‘জয় বাংলা জিতবে আবার নৌকা/ শেখ হাসিনার সালাম নিন, জয় বাংলা-নৌকা মার্কায় ভোট দিন' এই গানের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরা হয়েছে। গানটি এরই মধ্যে তরুণ প্রজন্মের কাছে প্রিয় গানে পরিণত হয়েছে।

ইউটিউবে অসংখ্য চ্যানেল থেকে নানারকম ভিডিও করে এটি প্রকাশ করা হচ্ছে। অল্পদিনেই গানটি ১০ মিলিয়নেরও বেশিবার দেখা হয়েছে। আর আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা গানটি প্রচারণার জন্য ব্যবহার করছেন। বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গানটির সঙ্গে নেচে ফ্লাশমব তৈরি করেছেন।

হঠাৎ জনপ্রিয় হওয়া এই গান নিয়ে কৌতুহলেরও শেষ নেই। কারা তৈরি করেছেন এই গান? কে গেয়েছেন, কার লেখা- এসব জানতে চাইছেন অনেকেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেল, ‘জয় বাংলা-জিতবে এবার নৌকা’ শীর্ষক গানটির কথা লিখেছেন তৌহিদ হোসেন। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন যৌথভাবে সরোয়ার ও জিএম আশরাফ। এর সংগীতায়োজন করেছেন ডিজে তনু ও এলএমজি বিটস। সম্পাদনা ও কালার সমন্বয়ে ছিলেন হৃদয় হোসেন। গানটির ভিডিওচিত্র প্রযোজনায়ও ছিলেন তৌহিদ হোসেন।

গানটি প্রসঙ্গে কথা হলো তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে। তিনি  বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিয়ে ভিন্ন কিছু একটা করার পরিকল্পনা মাথায় ঘুরছিলো। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই গানটি করেছি। এমন অভাবনীয় সাড়া পাবো ভাবতেই পারিনি।

তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করতে গানটি ভালো ভুমিকা রাখছে বলে আমি বিশ্বাস করি।’ তৌহিদ হোসেনের মতে, এক গানে সরকারের সাফল্য তুলে ধরা সম্ভব নয়। তবুও তিনি চেষ্টা করেছেন এবং সে চেষ্টাকে দেশবাসী সাদরে গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, 'গানটি আমরা নিজেদের ভালো লাগার জায়গা থেকে তৈরি করে ইউটিউবে প্রকাশ করেছিলাম। বাকীটা ইতিহাস। দ্রুতই এটি ছড়িয়ে যায় সর্বত্র। আওয়ামী লীগের অনেক জনপ্রিয় নেতারাও এটিকে শেয়ার দিয়েছেন, ফোনের রিংটোন করে নিয়েছেন। অন্য দলের বন্ধুরাও গানটির প্রশংসা করছেন। এটা সত্যি আনন্দের।'