🕓 সংবাদ শিরোনাম

রোজিনার সঙ্গে যারা অন্যায় করেছে, তাঁদের জেলে পাঠান: ডা. জাফরুল্লাহকেরানীগঞ্জে ফ্ল্যাট থেকে যুবতীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারপাটগ্রাম সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে নারী ও শিশুসহ ২৪জন আটকসাংবাদিকদের ভয় দেখিয়ে সরকার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে চায়: ভিপি নুরসাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা নয়, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন: হানিফআর এমন ভুল হবে না: নোবেলস্বেচ্ছায় কারাবরণের আবেদন নিয়ে থানায় অনুসন্ধানী সাংবাদিকেরাইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে রাস্তায় ঢাবি শিক্ষক সমিতিযমুনা নদীতে ডুবে তিন কলেজ ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু‘বাংলাদেশে সাংবাদিকতাকে তথ্য চুরি বলা হচ্ছে, এর চেয়ে দুঃখ আর নেই’

  • আজ বুধবার, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৯ মে, ২০২১ ৷

আবার শেখ হাসিনাই প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন: তিন বিদেশী গণমাধ্যম


❏ শনিবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০১৮ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে রেকর্ড চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। দুই মেয়াদে তার সরকারের ব্যাপক উন্নয়নযজ্ঞের ফলে এবারের নির্বাচনেও ভোটাররা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকেই বেছে নেবে।

এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের টাইম ম্যাগাজিন ও যুক্তরাজ্যের দ্য গার্ডিয়ান এবং ব্লুমবার্গ। গতকাল শুক্রবার প্রভাবশালী এ তিন গণমাধ্যম এ নিয়ে খবর প্রকাশ করে।

শেখ হাসিনাকে ‘বাংলাদেশের লৌহ মানবী’ আখ্যায়িত করে টাইম ম্যাগাজিনের খবরে বলা হয়, গত দুই মেয়াদে তার সরকারের ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড এবারও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকেই বেছে নিতে ভোটারদের উৎসাহিত করবে। যদিও বাংলাদেশের অসাধারণ অর্থনৈতিক সফলতা নিয়ে শেখ হাসিনার সমালোচকদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

অন্যদিকে গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের জয়ের ব্যাপারে ইঙ্গিত দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, রক্তক্ষয়ী নির্বাচনী প্রচারের পরও শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রী থাকার পক্ষে পরিস্থিতি অনুকূল রয়েছে। বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হিসেবে তুলে এনেছে শেখ হাসিনার সরকার।

শেখ হাসিনা আশা করছেন, ১০ কোটি ভোটার সহিংসতাকে ঘৃণা করে দেশের অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক উন্নতির দিকে গুরুত্ব দেবেন। এর মধ্যে ২০০৯ সাল থেকে মাথাপিছু আয় তিনগুণ বেড়ে যাওয়া ও গত এক দশকে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের বেশি হয়েছে। এ প্রবৃদ্ধির বেশিরভাগই এসেছে দেশের ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের গার্মেন্টস ব্যবসা থেকে। যেখানে ৪৫ লাখ মানুষ কাজ করেন। এ খাতে নারীদের অংশগ্রহণ দ্বিগুণ বেড়েছে। মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যের সুবিধা বাড়ায় গড় আয়ু ৭২ বছর হয়েছে, যা ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে বেশি।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে অর্থনীতির উচ্চ প্রবৃদ্ধি ও আর্থিক চাঙাভাব সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে সুবিধাজনক অবস্থানে রেখেছে। যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসা বেগবান করতে পারে। শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ক্রমান্বয়ে বেড়েছে। দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে।

বাংলাদেশের ভিয়েলাটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান ডেভিড হাসানাত বলেন, বর্তমানে দেশে রাজনৈতিক স্থিরতা রয়েছে এবং এটি বজায় রাখতে হবে। রাজনৈতিক স্থিরতা আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বিষয়টি বছরের পর বছর ধরে করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনার সরকার প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনেও ক্ষমতায় আসবেন শেখ হাসিনা। ফলে অর্থনৈতিক নীতির ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হবে এবং বিদেশি বিনিয়োগের প্রবাহ বাড়বে।

তিন প্রতিবেদনেই নানা বিষয়ে শেখ হাসিনা সরকারের সমালোচনাও করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিরোধী রাজনীতিকদের বেশ কয়েকজনের বক্তব্য তুলে ধরা হয়।

শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের এক দশকের শাসনের পর খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে এবারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতাকালীন প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী কামাল হোসাইন শেখ হাসিনার প্রাথমিক চ্যালেঞ্জার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণীর স্বার্থকে আকৃষ্ট করছে কামাল হোসাইনের নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট।