• আজ শনিবার, ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৫ মে, ২০২১ ৷

নাশকতার একাধিক মামলায় বিএনপির সাবেক এমপি কারাগারে


❏ বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ৩, ২০১৯ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক ::ট্রেন পোড়ানো ও নাশকতার একাধিক মামলায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার সাবেক এমপি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম আকবর আলীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সিরাজগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. শাহাদৎ হোসেন প্রামাণিক এ আদেশ দিয়েছেন বলে বুধবার সন্ধ্যায় নিশ্চিত করেছেন জুডিশিয়াল আদালতের পেশকার বোরহান কবির

এম আকবর আলীর আইনজীবী রফিক সরকার জানান, ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর হাইকোর্টের আদেশে সাবেক এমপি আকবর আলীকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে চিফ জুডিশিয়াল আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। এ নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সিরাজগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল আদালতে তিনি ট্রেন পোড়ানো ও নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা মোট ১৩টি মামলায় জামিন আবেদন করে আত্মসমর্পণ করেন। বিজ্ঞ বিচারক জামিন আবেদন শুনানি শেষে সাতটি মামলায় জামিন মঞ্জুর করেন এবং বাকি ৬টি মামলার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে বুধবার সন্ধ্যার আগে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

উল্লেখ, এম আকবর আলী সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসন থেকে ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন।

দিনের আলোচিত সংবাদ

গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে মুল হোতারা

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সংসদ নির্বাচনে ভোট দেয়াকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে নেতৃত্বদানকারীসহ ও কয়েক আসামি। মামলাটি পুনঃতদন্তে নেয়া হয়েছে বলে জানান ওসি। গ্রেপ্তার করা হয়েছে এ মামলার তিন আসামি সোহেল, স্বপন ও বাদশদকে। রহুল আমীনকে প্রধান আসামি না করে সোহেলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এদিকে থানায় ভিকটিমের স্বামী সিরাজ বাদী হয়ে মামলা করলেও এ ঘটনার নেতৃত্বদানকারী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক রুহুল আমিনকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মামলা করা হয় ৯জনের নামে কিন্তু বাদী যখন স্বীকার উক্তি দেয় তখন এ ঘটনার নেতৃত্বদানকারী রহুল আমিনসহ ১১ জনের নাম বলেন। তারা হলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগের মোশারেফ, পিতা তোফায়েল ওরফে তোফা, সালাউদ্দিন, পিতা আলমগীর, সোহেল, পিতা ইসমাইল, হেঞ্জু মাঝি ,পিতা চাঁন মিয়া, বেচু, পিতা আবুল কাশেম, জসীম, শ্বশুর আঞ্চলিক মাঝি, সোহেল (২), আবুল কালাম, আবু পিতা অজ্ঞাত, স্বপন, পিতা আবদুল মান্নান, আনোয়ার, পিতা ইউসুফ মাঝি, বাদশা আলম, পিতা আহম্মদ উল্ল্যাহ, হানিফ, পিতা ইসমাইল ওরফে বাগন আলী, সর্ব সাং মধ্যম বাগ্যা, ৪নং ওয়ার্ড চরজুবলি ইউনিয়ন, আমির হোসেন পিতা নুর হক সাং পশ্চিম চর জব্বর উপজেলা সুবর্ণচর।

এদিকে এ ঘটনায় মানবাধিকারের তিন সদস্যের প্রতিনিধি পরিচালক আল মাহমুদ ফয়জুল কবির, উপ-পরিচালক সুস্মিতা পাই, উপ-পরিচালক গাজী সালাউদ্দিন নেতৃত্বে তদন্তে আসেন। তারা নোয়াখালী পুলিশ সুপার, ওসি নিজাম উদ্দিন, হাসপাতালে ডাক্তার ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে কথা বলেন বলেন।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে চরজব্বর থানার ওসি নিজাম উদ্দিন জানান, বাদী যা বলেছে আমরা তা রেকর্ড করেছি। এখন পর্যন্ত ১, ৪ ও ৬ নম্বর আসামি গ্রেপ্তার করেছি। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।