সংবাদ শিরোনাম

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে গৃহবধূর দেহ তল্লাশি করে মিলল ইয়াবাটুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দের শ্রদ্ধাপাবনায় স্ত্রীর মামলায় পুলিশ কনস্টেবলের ২ বছরের কারাদন্ডনওগাঁয় সময়ের একবছর পরও শেষ হয়নি কাজ: ধুলাবালুতে নিত্য দুর্ভোগবিএনপির বুদ্ধি আছে কি না জানি না: ডা. জাফরুল্লাহকিশোরগঞ্জে ৭টি তক্ষকসহ এক পাচারকারীকে আটকবেরোবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে ৪৫ অভিযোগ তদন্তে আসছে ইউজিসিশহীদ মিনারে এইচ টি ইমামকে শেষ শ্রদ্ধাইট বিক্রি চালুর দাবিতে রাঙামাটিতে সংবাদ সম্মেলনশায়েস্তাগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবনেই চলছে বন বিভাগের অফিসের কার্যক্রম

  • আজ ১৯শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কোচিং সেন্টারের শিক্ষক বিয়ে করেছেন ছাত্রীকে, ভয়ে পড়াশোনা বন্ধ গ্রামে!

১:১৯ পূর্বাহ্ন | শনিবার, জানুয়ারী ৫, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: ভারতের ‌বিহারের একটি গ্রামের কিশোরীদের পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য করছেন তাদেরই অভিভাবক। কারণ ওই গ্রামের ১৫ বছরের এক কিশোরীকে বিয়ে করেছেন ৫০ বছরের এক গৃহশিক্ষক। যিনি ওই গ্রামেই কোচিং সেন্টারে পড়ান।

এই ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই নারায়ণপুর গ্রামের নবম শ্রেণির সোনি কুমারি, রুবি কুমারি, মনোরমা কুমারি সহ সব মেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ করতে চাপ দিচ্ছে তাদেরই মা-বাবা। কোচিং সেন্টারেও পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন তাঁরা। ৫০ বছরের চন্দ্রপ্রকাশ মেহতা বিয়ে করেছেন তাঁর হাঁটুর বয়সী মেয়েকে। যার বয়স ১৫ বছর।

সোনি কুমারি বলেন, আমাদের মা-বাবা আমাদের কোচিং সেন্টারে যেতে নিষেধ করেছে। গ্রামের একমাত্র স্কুলেও ক্লাস প্রায় বন্ধ। আমাদের পড়াশোনায় খুব বাজে প্রভাব পড়ছে।

চন্দ্রপ্রকাশ মেহতা গ্রামেই কোচিং সেন্টার চালান। গ্রামবাসী জানান, কিশোরী মেয়েকে বিয়ে করা যে আইনের চোখে দণ্ডনীয় তা জানার পরও তিনি ১৫ বছরের মেয়েকে বিয়ে করেছেন। গ্রামের একাংশ জানিয়েছে, ওই শিক্ষকের সঙ্গে কিশোরীর রক্তের সম্পর্ক রয়েছে।

যদিও গ্রামবাসীদের সমস্ত অভিযোগকে একদিকে রেখে চন্দ্র প্রকাশ মেনে নিয়েছেন যে তিনি কিশোরী মেয়েকে বিয়ে করেছেন। তিনি দাবি করে বলেন, আমার স্ত্রীর কোনও সমস্যা নেই তাতে। বরং সে খুব খুশি।

যদিও এই ঘটনার পর পুলিশ ও গ্রামবাসীদের মধ্যে অশান্তির সৃষ্টি হয়। যা শোনার পর ঘটনাস্থলে আসেন মহিলা কমিশনের সদস্যরা। কমিশনের এক সদস্য জানান, কিশোরী বয়সে বিয়ে করা বা জোর করে বিয়ে দেওয়া এ নিয়ে প্রচার চালিয়েও কোনও ফল পাওয়া যাচ্ছে না।

মহিলা কমিশনের শীর্ষ এক কর্মকর্তা প্রশান্তি তিওয়ারি বলেন, গ্রামের একমাত্র স্কুল যেখানে প্রায় পড়াশোনা হয় না। কোচিং সেন্টার বলতে চন্দ্রপ্রকাশের কোচিং সেন্টার, যেখানে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন অভিভাবকরা। সরকারি স্কুলের দশা এরকম হলে, গ্রামের ছেলে-মেয়েরা কোথায় যাবে। শীঘ্রই এর প্রতিকার হওয়া দরকার।