সংবাদ শিরোনাম

আল-জাজিরার বিরুদ্ধে ৫০০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণের মামলারাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ আজ, সব রুটের বাস বন্ধনিষেধাজ্ঞা পৌঁছানোর ৫২ মিনিট আগে বেনাপোল দিয়ে ভারতে পালান পি কে হালদার৮ম শ্রেণি পাস করে ‘ডাক্তার’, চেম্বার খুলে দেখছেন রোগী!বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পুনর্বিবেচনার আহ্বান জাতিসংঘেরফুলবাড়ীতে টিভি দেখার প্রলোভনে প্রতিবন্ধী শিশুকে বলাৎকারআল-জাজিরা একটা নাটক লিখেছে, যা বেমানান: পররাষ্ট্রমন্ত্রীসিএমপিতে ৮ পুলিশ কর্মকর্তার দফতর বদলক্রাইস্টচার্চে আবারও ‘গোলাগুলির শব্দ’, শিউরে উঠলেন তামিম!নাইজেরিয়ায় হিজাব বিতর্ক: মুসলিম ছাত্রীদের পক্ষে রায়

  • আজ ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কুশিয়ারা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে দুটি নৌকা আটক

৫:১৩ অপরাহ্ন | রবিবার, জানুয়ারী ৬, ২০১৯ সিলেট

মতিউর রহমান মুন্না, নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: কুশিয়ারা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে নবীগঞ্জ উপজেলার পারকুল গ্রামের কাছে বালু ভর্তি দুটি নৌকা আটক করা হয়েছে।

আজ রবিবার দুপুর ১২ টার দিকে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ-বিন-হাসান এ অভিযান চালিয়ে এ গুলো আটক করেন। এ সময় আটক এক বালু শ্রমিককে স্থানীয় চেয়ারম্যানের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। আটককৃত বালু সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে উত্তোলন করা হচ্ছিল।

জানা যায়, সিলেটের তিনটি জেলা মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট সদরের সীমান্তে অবস্থিত হবার কারণে ওই তিন এলাকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক চক্র, জনপ্রতিনিধিরা মিলে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বালু উত্তোলন করে আসছিলেন। প্রশাসন মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনা করলেও ফের শুরু হয়ে যায় বালু উত্তোলনের মহোৎসব।

রবিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুটি বালু ভর্তি নৌকা আটক করেন। এ সময় সাদীপুর গ্রামের ওমর নামের এক শ্রমিককে আটক করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন বালু উত্তোলন বন্ধ থাকার পর ওই এলাকার আনহার, সালিক, লাভলুসহ একটি চক্র বালু উত্তোলন শুরু করেছে।

পাহাড়পুর গ্রামের রোজিনা বেগম বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের জন্য আমাদের এলাকায় তীব্র নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। গত কয়েক বছরে প্রায় ২০/২৫টি ঘর-বাড়ি ও অর্ধশতাধিক একর ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।

নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ-বিন-হাসান বলেন, আটককৃত নৌকা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান হারুনের জিম্মায় রাখা হয়েছে।