সংবাদ শিরোনাম

গাজীপুরে সকল ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে অবস্থান ধর্মঘটচমেকে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, ব্যাপক ভাঙচুর‘আত্মত্যাগের মধ্যেই হলো একজন মানুষের জীবনের স্বার্থকতা’: উপাচার্য ড. হারুন-অর-রশিদদণ্ডিত আসামি দিয়ে সুবর্ণ জয়ন্তী উদ্বোধন করে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অসম্মান করেছে বিএনপিবাংলাদেশ এখন চীন-ভারত-মালয়েশিয়ার কাতারে : অর্থমন্ত্রীপেট্রাপোল বন্দরে বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় ৫ হাজার ট্রাক !ইসিকে হেয় করতে যা দরকার সবই করছেন মাহবুব তালুকদার: সিইসিআশুলিয়ায় ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত-১০ভাসমান হাসপাতাল ‘জীবন তরী’এখন ঝালকাঠির সুগন্ধা নদী তীরেস্থানীয় নির্বাচনে অনিয়মের একটা মডেল তৈরি হয়েছে: মাহবুব তালুকদার

  • আজ ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

এবার বিচারের মুখোমুখি হচ্ছে জামায়াতে ইসলামী

১১:৫৩ পূর্বাহ্ন | বুধবার, জানুয়ারী ৯, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি বিরোধিতাকারী ধর্মভিত্তিক সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর বিচারের উদ্যোগ নিচ্ছে নতুন সরকার।

একাত্তরে স্বাধীনতা সংগ্রামে যুদ্ধাপরাধ করার দায়ে এরই মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার সাজা কার্যকর হয়েছে। অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলমান। এই বিচারকালেই একাধিক বিচারক জামায়াতে ইসলামীকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেন। কিন্তু কোনো নির্বাহী আদেশে সরকার এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করেনি। আইনের আলোকে বিচারের মাধ্যমে সরকার এই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করতে চায়।

টানা দ্বিতীয়বার আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর গতকাল মঙ্গলবার  আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, আর বিলম্ব নয়, জামায়াতকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। এ লক্ষ্যে আইন সংশোধন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

আনিসুল হক জানিয়েছেন, ‘দল হিসেবে জামায়াতের বিচার করতে দ্রুত আইন সংশোধন করা হবে। বিভিন্ন কারণে আমরা জামায়াতের বিচার এতদিন করতে পারিনি। এবার অবশ্যই করা হবে। জামায়াতের বিচার করতে যেটুকু আইনি সংশোধনের প্রয়োজন, সেটা নিশ্চয়ই করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, জামায়াতের বিরুদ্ধে শুধু বাংলাদেশের আদালতে নয়, বিদেশি আদালতেও এই সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।’

জামায়াতের বিচারের লক্ষ্যে কবে নাগাদ আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে- জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো সময় বেঁধে দেওয়া যাবে না। তবে যথাসম্ভব তাড়াতাড়িই করা হবে।’

আইনমন্ত্রীর বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশিষ্টজন। তারাও মনে করেন আর বিলম্ব না করে দ্রুত বিচার হওয়া উচিত। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পর দল হিসেবেও জামায়াতের বিচার করা প্রয়োজন। সে জন্য দরকার সরকারের সদিচ্ছা। মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে অধীর অপেক্ষা করছেন। তারা মনে করেন, জামায়াতের বিচার না হলে ত্রিশ লাখ শহীদ পরিবার ন্যায়বিচার পাবে না।

স্বাধীনতার ৪৭ বছরেও বিতর্কিত এ দলটি প্রকাশ্যেই তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সর্বমহল জামায়াতের বিচার নিয়ে সোচ্চার থাকলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। নির্বাচন কমিশনে এ দলটির নিবন্ধন না থাকলেও সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের ২৫ জন প্রার্থী বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। তবে তাদের মধ্যে কেউ জিততে পারেননি।