সংবাদ শিরোনাম

কক্সবাজারে নারী মাদক ব্যবসায়ীর অর্থ লুট, এসআইসহ ৩ পুলিশ বরখাস্তবয়স ১০০ ছুঁইছুঁই, দুলি খাতুনের ভাগ্যে কবে জুটবে বয়স্ক ভাতা?ওয়ান শুটারগান ও গুলিসহ আনোয়ারার গেট্টু নাছির গ্রেপ্তারপ্রয়োজনে আরও ভ্যাকসিন কেনা হবে: প্রধানমন্ত্রীটাঙ্গাইলে যৌন হয়রানি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক বরখাস্তজামালপুরে বাগানে মিলল তরুণীর ঝুলন্ত লাশ, মৃত্যু নিয়ে রহস্যসুবর্ণচরে ধর্ষণের শিকার হয়ে স্কুলছাত্রীর আত্নহত্যাভোটের অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে আন্দোলনে নামবে জাতীয় পার্টি: বাবলুরাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশে যেতে তাবিথকে ‘বাধা’গাজীপুরে সকল ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট

  • আজ ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

লিপস্টিকের লোভ দেখিয়ে দুই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, ব্যর্থ হয়ে হত্যা

২:১১ অপরাহ্ন | বুধবার, জানুয়ারী ৯, ২০১৯ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- লিপস্টিক দিয়ে সাজিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চার বছরের নুশরাত জাহান ও পাঁচ বছরের ফারিয়া আক্তার দোলাকে নিজেদের ঘরে ডেকে নেয় প্রতিবেশি গোলাম মোস্তফা (২৮) ও তার ভাই আজিজুল বায়ানি (৩০)।

পরে ধর্ষণের চেষ্টা করলে দুই শিশুর চিৎকার করলে দোলাকে গলা টিপে হত্যা করে। এরপর নুশরাতকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে তাদের মৃতদেহ রাখা হয় ঘরটির খাটের নিচে।

বুধবার (৯ জানুয়ারি) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার মো. ফরিদ উদ্দিন এসব তথ্য জানান।

এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত গোলাম মোস্তফা ও তার চাচাতো ভাই আজিজুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

উপ-কমিশনার ফরিদ উদ্দিন বলেন, গত ৭ জানুয়ারি দুপুরে দুই শিশু নুশরাত জাহান ও ফারিয়া আকতার দোলা নিখোঁজ হয়। এলাকায় তাদের সন্ধান পেতে এলাকায় মাইকিং করা হয়। সন্ধ্যার দিকে এলাকাবাসীর সহায়তায় শিশু দুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো বলেন, মোস্তফা ও আজিজুলকে গ্রেফতারের পর জানায় ধর্ষণের উদ্দেশ্যেই দুই শিশুকে লিপস্টিক দিয়ে সাজানোর লোভ দেখিয়ে প্রথমে বাসায় ডেকে আনা হয়। বিকৃত মানসিকতার উদ্দেশ্যে ভাই আজিজুল বাওনিয়াকে আগেই বাসায় খবর দিয়ে আনে মোস্তফা।

এরপর আজিজুল ও মোস্তফা ইয়াবা সেবন করে উচ্চশব্দে গান বাজিয়ে দেয়। শিশু দুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে তারা চিৎকার করে। চিৎকারের এক পর্যায়ে ফারিয়াকে গলা টিপে হত্যা করে আজিজুল এবং নুশরাতকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মোস্তফা।

ওয়ারীর ডিসি আরো জানান, মোস্তফার স্ত্রী সন্ধ্যার দিকে গার্মেন্টস থেকে বাসায় ফিরলে স্বামীর অস্বাভাবিক আচরণ দেখতে পান। মেঝেতে শিশুদের স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন। দুইজনের চিৎকার চেঁচামেচিতে আশেপাশের লোকজন টের পায় এবং পুলিশকে খবর দেয়। তবে ঘটনার দিন সন্ধ্যার দিকেই মোস্তফা পালিয়ে যায়।

মোস্তফা সিরামিকের কারখানায় ও আজিজুল একটি বেকারিতে কাজ করতো বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিসি বলেন, শিশুটি দুটি চিৎকার করলেও এর আওয়াজ উচ্চস্বরে গানের কারণে বাইরে বের হতে পারেনি। নুশরাত ও দোলা নার্সারিতে পড়তো। স্কুল শেষে এলাকায় দুজনে ঘোরাঘুরি করছিল। ঠিক এ সময়ই তাদেরকে সাজিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ঘরে ডেকে নেওয়া হয়।