গফরগাঁওয়ে কলেজ ছাত্রকে পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ

৭:৪৪ অপরাহ্ন | বুধবার, জানুয়ারী ৯, ২০১৯ দেশের খবর

আব্দুল মান্নান পল্টন, ময়মনসিংহ ব্যুরো: ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা ও বারবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের কলেজ পরুয়া ছেলে ইপেলকে পুলিশের অমানুষিক নির্যাতনের প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুর ১টা থেকে বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত সদরসহ উপজেলার সর্বত্রই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এ সময় রেলওয়ে ট্রেন চলাচলেও বাধা দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায় মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে গফরগাঁও থানার সামনে খানবাহাদুর ইসমাইল সড়কে বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাসী কওে এসআই রুবেলের নেতৃত্বে একদল থানা পুলিশ। এ সময় সারোয়ার জাহান ইপেল কলেজ থেকে বাড়িফেরার পথে গতিরোধ করে মোটর সাইকেলের কাগজপত্র দেখার নামে অশালীন আচরন করে পুলিশ ।

এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে কলেজ ছাত্র ইপেল ও ইয়াহিয়াকে পরবর্তীতে ৫-৬ জন পুলিশ বেধরক পেটায়। এরপর হাজার হাজার আ’লীগ’ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে থানা ঘেরাও করে।

স্থানীয় এলাকাবাসী , ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিকরা কলেজ ছাত্রের উপর পুলিশী নির্যাতনের প্রতিবাদে উপজেলা সদরের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। উপজেলা সদরের সাথে উপজেলার অন্যান্য অঞ্চলের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

উত্তেজিত জনতার পিকেটিং এর কারনে ঢাকা-গফরগাঁও-ময়মনসিংহ রেলপথে রেল যোগাযোগ ব্যাহত হয়। ঢাকাগামী বলাকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ত্রিশাল উপজেলা ধলা রেলওয়ে ষ্টেশনে প্রায় দুই ঘন্টা আটকা পড়ে। ইপেলের মুক্তির দাবীতে ও এসআই রুবেলকে প্রত্যাহারের দাবীতে দুপুর দুইটার দিকে উপজেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

গফরগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বলেন,পুলিশের কতব্য ও দায়িত্ব পালনে বাধা পদানের অপরাধে মঙ্গলবার রাতে গফরগাঁও থানায় একটি মামলা রুজু হয়েছে। আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পেরণ করা হয়েছে । বর্তমানে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।