সংবাদ শিরোনাম

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্তরোহিঙ্গা শিশু অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় নারীসহ দু’জন গ্রেপ্তারবেলকুচিতে দূর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ে গেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান !জামালপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণ, গ্রেফতার মাদ্রাসার শিক্ষক‘করোনাকালের নারী নেতৃত্ব: গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব’বগুড়ায় শিক্ষা প্রনোদনা পেতে প্রত্যয়নের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগজামালপুরে ধর্ষণ মামলায় ধর্ষকের যাবজ্জীবনপাবনায় অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, চারটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার-২উপজেলা আ.লীগের সভাপতিকে ‘পেটালেন’ কাদের মির্জা!কে কত বড় নেতা, সবাইকে আমি চিনি: কাদের মির্জা

  • আজ ২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘মনোনয়ন বাণিজ্যই বিএনপির ভরাডুবি’

৬:১২ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ১০, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘মনোনয়ন বাণিজ্যই বিএনপির নির্বাচনে ভরাডুবির বড় কারন। তাদের অপকর্মের কারণেই মানুষ ভোট দেয়নি।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৩ -২০১৪ সালে নির্বাচন ঠেকাতে আগ্নি সংযোগ, মানুষ হত্যা করে। তিনি বলেন, ২০১৫-তে বিএনপি জামায়াতের সন্ত্রাসীরা ৫৮২টি স্কুল পোড়ায়, ২ জন বিচারকসহ নির্বাচনি প্রিজাইডিং অফিসারকে হত্যা করে।

বিএনপি জামায়াতের দুঃশাসনের ফলে দেশে জরুরী অবস্থা আসে। ১/১১’র জরুরী অবস্থা চলার সময় দেশের মানুষের উপর অত্যাচার আরও বেড়ে যায় জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সারা দেশে এমন কোন এলাকা ছিল না, যেখানে জুলুম হয়নি। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশে সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, মানি লন্ডারিং, অস্ত্র কেনাবেচা এতিমের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, দুর্নীতিবাজ, অর্থপাচারী, অঙ্গিসন্ত্রাসীদের বাংলাদেশের মানুষ কখনও মেনে নেবেনা। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ব্যর্থতার কারনেই, বিএনপির সময় দেশের উন্নতি হয়নি।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এত মানুষকে হত্যা করার পরও তারা কীভাবে আশা করে যে, জনগণ তাদেরকে ভোট দেবে?

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে জনগনের প্রত্যাশার মর্যাদা সরকার রাখবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে দেয়া বক্তৃতায় সেই দিনটিকে স্মরণ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানি বাহিনী গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার পর তার সম্পর্কে কোনো খবরই জানতেন না পরিবারের সদস্যরা। স্বাধীনতাযুদ্ধের নয়টি মাস তারা চরম উদ্বেগের মধ্যে কাটান। বঙ্গবন্ধু বেঁচে আছেন, না মারা গেছেন সেই সম্পর্কে তার পরিবারের কোনো ধারণা ছিল না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এর মধ্যে যখন ৮ জানুয়ারি প্রথম টেলিফোন কলের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর খবর জানতে পারি। বিবিসিতে বঙ্গবন্ধুর বিষয়ে খবরও প্রচারিত হয়। তখন যে কি খুশী হয়েছিলাম তা ভাষায় বর্ণনা করতে পারবো না।’