সংবাদ শিরোনাম

জামালপুরে ধর্ষণ মামলায় ধর্ষকের যাবজ্জীবনপাবনায় অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, চারটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার-২উপজেলা আ.লীগের সভাপতিকে ‘পেটালেন’ কাদের মির্জা!কে কত বড় নেতা, সবাইকে আমি চিনি: কাদের মির্জাঅনুদান দেওয়া হবে, তবে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে নয়: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সভাপতিসহ আটজন রিমান্ডেজিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের নির্দেশক, পরিচালক কিছুই ছিলেন না: কৃষিমন্ত্রীমির্জাপুরে বনের ভেতর গড়ে উঠা ১৩ চুল্লি ধ্বংস‘বিএনপির আন্দোলনের বিকল্প হচ্ছে আগুন-সন্ত্রাস আর গুজব তৈরি’পুনর্বাসন ও ক্ষতিপুরণের দাবিতে ঈশ্বরদীতে বিক্ষোভ সমাবেশ

  • আজ ২৩শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সামাজিক বন্ধনের সৃষ্টিশীল কারিগর বাবুই পাখি

১১:৫৪ পূর্বাহ্ন | শনিবার, জানুয়ারী ১২, ২০১৯ ইতিহাস-ঐতিহ্য

এ. এম. উবায়েদ, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: সময়ের বিবর্তনে পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে আজ হারিয়ে যেতে বসেছে শিল্পী, সম্প্রীতি এবং সামাজিক বন্ধনের নিদর্শন খ্যঠু বাবুই পাখি ও তার দৃষ্টিনন্দন বাসা। গ্রাম বাংলায় এখন আর আগের মতো বাবুই পাখির বাসা খুব একটা দেখতে পাওয়া যায় না।

“বাবুই পাখিরে ডাকি বলেছে চড়াই,
কুড়েঁঘরে থেকে করো শিল্পের বড়াই”।

কবির কালজয়ী কবিতার লাইন দুটি সকলের মনে দাগ কাটে এই বলে যে, বাবুই পাখি সৃষ্টিশীল শিল্পকর্মের উজ্জ্বল নিদর্শন।

কালের বিবর্তনে এখন বিলুপ্তির পথে বাবুইপাখি। তালগাছে তারা বাসা বাধে আর এই তাল গাছকে করে তোলে নয়নাভিরাম। এমন নিপুন কারিগরী সৃষ্টিতে আর কোন পাখি বাসা বাধতে পারেনা। বাবুই পাখি আবহমান বাংলার শোভা। তারা তাদেও বাসাকে দৃষ্টিনন্দন ও নয়নাভিরাম করে তৈরি করে যা প্রবল ঝড় ও বাতাসেও ক্ষতি করতে পারে না। এত সুন্দর কারুকার্যময় বাসা মানুষের পক্ষেও তৈরি করা কঠিন।

খড়ের ফালি, ধানের পাতা, তালগাছের কচিপাতা, ঝাউগাছ ও লতাপাতা দিয়ে তালগাছে দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তোলে তাদের ছোট্র কুড়েঁঘর। একসাথে এক গাছে দল বেধে তারা সমাজবদ্ধ হয়ে বাস করে যা সকলের জন্য শিক্ষনীয়। বাবুই পাখি একাধরে শিল্পী, স্থপতি ও সামাজিক বন্ধনের নিপুন কারিগর।

ক্রমশই উজাড় হচ্ছে তালগাছ। বছর দশেক আগেও গ্রাম-গঞ্জে নারিকেল, তাল ও সুপারি গাছে বাবুই পাখির বাসা চোখে পড়ত। এখন খুব একটা চোখে পড়েনা বাবুই পাখির বাসা। তাদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে “তারা রাতের বেলায় ঘর আলোকিত করার জন্য জোনাকি পোকা ধরে এনে রাখত আর সকালে ছেড়ে দিত”।

কিশোরগঞ্জ জেলায় হাওড় ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের তাল, নারিকেল ও সুপারি গাছে বাবুই পাখির বাসা চোখে পড়ত যা বর্তমানে খুব একটা পড়ে না। পরিবেশবিদদের মতে, তালগাছ লাগানোর মাধ্যমে এ পাখির বিলুপ্তি রোধ করা সম্ভব।

পাখি প্রেমিক ডাঃ সালাহউদ্দিন বলেন, যেভাবে তালগাছ হারিয়ে যাচ্ছে তাতে বাবুই পাখি ও বিলুপ্ত হতে বেশি সময় লাগবে না। বাবুই পাখি বিলুপ্তি যেন না হয় তার জন্য সকলের সচেতনতা ও ব্যাপক ভিত্তিতে তালগাছ লাগানো দরকার।

শুরু হলো ভাষার মাস

⊡ সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১, ২০২১

বাংলাদেশের ৬৪ জেলা bangladesh ৬৪ জেলার নামকরণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

⊡ শনিবার, ডিসেম্বর ১৯, ২০২০

boimela ভার্চুয়ালি নয়, আগের মতোই হবে বইমেলা

⊡ রবিবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০২০

nur শহীদ নূর হোসেন দিবস আজ

⊡ মঙ্গলবার, নভেম্বর ১০, ২০২০

kotalipara কোটালীপাড়ায় শেষ হলো ৩ দিনব্যাপী নৌকা বাইচ

⊡ বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২০