‘বিএনপি ও তাদের সহযোগী কিছু নেতার চিকিৎসা প্রয়োজন’- তথ্যমন্ত্রী

২:৩৫ অপরাহ্ন | শনিবার, জানুয়ারী ১২, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর- শনিবার (১২ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতির জনকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত এক আলোচনা সভায় ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সহিংসতা হয়েছে; যা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত, ইতিহাসে বিরল।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ও তাদের সহযোগী কিছু নেতার চিকিৎসা প্রয়োজন। তারা বহুল প্রশংসিত নির্বাচনে হেরে সংলাপের কথা বলছেন। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এ ধরনের কথা বলছেন তারা।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা নির্বাচন বাণিজ্য করবেন, ৩০০ আসনে ৮০০ জনকে মনোনয়ন দেবেন। আবার জয়লাভের কথা বলবেন, জনগণ কি বোকা? তারা নমিনেশন বাণিজ্য যারা করেছেন তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।

তিনি আরও বলেন, আপনারা ২০১৪ সালে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছেন। স্কুলগামী শিক্ষারর্থীদের ওপর বোমা মেরেছেন। মনে রাখবেন বোমাবাজি করে ত্রাস করা যায়, ভোট পাওয়া যায় না। সবার আগে বিএনপির নেতৃত্ব প্রয়োজন, তবেই জনগণ আপনাদের গ্রহণ করতে পারে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হলেও স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়নি, শূন্যতা অনুভব করেছিলো দেশ। বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরলেই এর পূর্ণতা আসে। তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠন করে উন্নয়নের দিকে নিয়ে আসেন। কিন্তু ঘাতকরা সেই উন্নয়ন সহ্য করতে পারিনি। তারা জাতির পিতাকে হত্যা করে। তার কন্যা ক্ষমতায় এসে দরিদ্র রাষ্ট্রকে আজ মধ্যম আয়ের দেশে নিয়ে গেছেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, এ টি এম শামসুজ্জামান, আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, নগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, প্রচার সম্পাদক আক্তার হোসেন, অভিনেত্রী তারিন, নূতন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, সহ-সভাপতি রোকেয়া প্রাচী প্রমুখ।