আবারও পেছালো প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ

১১:৩০ পূর্বাহ্ন | বুধবার, জানুয়ারী ১৬, ২০১৯ আলোচিত

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার তারিখ আবারও পেছানো হয়েছে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সেটি পিছিয়ে আগামী ১৫ মার্চ নির্ধারণ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়, এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষা শুরুর নীতিগত সিদ্ধান্ত হলেও এসএসসি পরীক্ষার কারণে তা পিছিয়ে মার্চে নেয়া হয়েছে।

এবার পরীক্ষা পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়। এরপর চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষা শুরুর সিদ্ধান্ত হলেও এসএসসি পরীক্ষার জন্য পিছিয়ে মার্চে নেওয়া হয়েছে।

বেশি আবেদনকারী হওয়ায় এবার প্রথমবারের মতো লিখিত পরীক্ষা কয়েকটি ধাপে আয়োজন করা হবে। তবে এবার একসঙ্গে সকল জেলার ফল প্রকাশ করা হবে না। যে জেলার পরীক্ষা আগে শেষ হবে সেখানে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে আগেই মৌখিক পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। পরবর্তী দুই মাসের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষার শেষ করা হবে।

সভা সূত্রে জানা গেছে, এবার নিয়োগ পরীক্ষা সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড পদ্ধতিতে নেওয়া হবে। নির্ধারিত জেলায় পরীক্ষা আয়োজনের আগের রাতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রশ্নপত্রের সব সেট পাঠানো হবে। পরীক্ষার দিন সকাল ৮টায় প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে তা কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির জানান, পরীক্ষা কেন্দ্র সংকট থাকায় লিখিত পরীক্ষ ৪টি অথবা ৫টি ধাপে আয়োজন করা হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিপ্তর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, অন্য বারের চেয়ে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে রেকর্ড সংখ্যক প্রার্থী আবেদন করেছেন। গত বছরের ১ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে ২৪ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। সারা দেশে ১২ হাজার আসনের বিপরীতে তারা এ ভর্তিযুদ্ধে বসবেন।

আবেদনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪ লাখ ৫২ হাজার ৭৬০, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৩৩৫, রাজশাহী বিভাগে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৯২৫, খুলনা বিভাগে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৭৩০, বরিশাল বিভাগে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৭, সিলেট বিভাগে ১ লাখ ২০ হাজার ৬২৩, রংপুর বিভাগে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৩৬৮ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ২ লাখ ৮২ হাজার ৪৩৭ জন আবেদন করেছেন।

প্রার্থীরা dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। এ ছাড়া ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশাবলী এবং পরীক্ষা-সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইট (www.dpe.gov.bd) এ পাওয়া যাবে।