কাউখালীর সংস্কৃতিজন সুব্রত রায়কে শিল্পকলা একাডেমির সম্মাননা

১:২০ অপরাহ্ন | বুধবার, জানুয়ারী ১৬, ২০১৯ বরিশাল

সৈয়দ বশির আহম্মেদ, কাউখালী প্রতিনিধি: পিরোজপুরে কাউখালীর বিশিষ্ট সংস্কৃতিজন শিক্ষক সুব্রত রায়কে গুণীজন সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। জেলা শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে এ গুণীজন সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়।

উপকূলে লোক সংস্কৃতিতে অনন্য অবদান রাখায় সুব্রত রায় (২০১৬ সালের) এ পদকে ভূষিত হন। মঙ্গলবার বিকেলে পিরোজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত (২০১৬ ও ২০১৭ সালের) শিল্পকলার বিভিন্ন শাখায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ গুণীজন সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়।

এতে ৫ টি ক্যাটাগরিতে প্রতি বছর পাঁচ জন করে এ পদক পান। এবারে পিরোজপুরের মোট দশজন গুণী শিল্পীকে শিল্পকলা একাডেমী গুণীজন সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়। অন্যান্য গুণী শিল্পীরা হলেন – ২০১৬ সালে লোক সংস্কৃতিতে সুব্রত রায়, সংগীতে মোঃ এজাজ হোসেন খান, আলোকচিত্রে চন্দ্র কান্ত দেবনাথ, যন্ত্রসংগীতে প্রয়াত রতন কুমার হালদার, নাট্যকলায় জালাল আহম্মেদ এবং ২০১৭ সালে সৃজনশীল সংগঠক মিনারা বেগম, লোক সংস্কৃতিতে রীনা দাস, যন্ত্র সংগীতে মুন্না দাস, সংগীতে পংকজ কর্মকার ও আলোকচিত্রে পলাশ চন্দ্র সাহা।

পদক প্রাপ্তদেরকে উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সনদ, পদক ও অর্থ সম্মানী প্রদান করা হয়। জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জিয়াউল আহসান গাজীর সভাপতিত্বে সম্মাননা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন প্রধান অতিথি ও পুলিশ সুপার মোঃ সালাম কবির বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন – এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সুশান্ত রঞ্জন রায়, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট নাহিদ ফারজানা ছিদ্দিকী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ঝুমুর বালা, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ মাহামুদ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও জেলা উদীচীর সভাপতি এডভোকেট এম এ মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা নকীব, থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম জিয়াউল হক ও জেলা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমূখ।

জেলা প্রশাসক বলেন আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, পিরোজপুরের মত দুর্গম জেলায় গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান ও অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে হাজারও গুণীজনের সৃষ্টি হবে।

সংস্কৃতিজন সুব্রত রায় প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের সিদ্ধান্তে আলোকে পাওয়া এ স্বীকৃতি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। আশা করি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় লালিত দেশীয় সংস্কৃতি আরও বিকশিত হবে।