সংবাদ শিরোনাম
করোনায় মৃতের সংখ্যা ৯৫ হাজার ছাড়াল, আক্রান্ত ১৬ লাখ | যুক্তরাজ্যে পিপিই’র জন্য সতর্ক করে বাংলাদেশি ডাক্তার নিজেই মারা গেলেন | করোনার মধ্যেও বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা | সীমান্তে দেড় শতাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় | বরিস জনসনের অবস্থার উন্নতি, আইসিইউ থেকে ওয়ার্ডে স্থানান্তর | সিঙ্গাপুরে নতুন করে আরো ১১৯ জন বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত | টাঙ্গাইলের সেই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইজিপিকে নোটিশ | দরিদ্রদের থেকে কেড়ে নেয়া সেই ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার, আটক দুই | ধর্ষণের শিকার রক্তাক্ত শিশুকে নিয়ে থানায় মায়ের আহাজারি | কোন জেলায় কতজন করোনা রোগী শনাক্ত |
  • আজ ২৭শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

অনন্ত জলিলের ৫৭ লাখ টাকা নিয়ে পলাতক ড্রাইভারের সাথে জড়িত মূলহোতার নাম প্রকাশ হল!

১২:৪৯ অপরাহ্ণ | সোমবার, এপ্রিল ৮, ২০১৯ বিনোদন

বিনোদন ডেস্ক :: রবিবার বিকাল ৫টায় ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় মুখ ও ব্যবসায়ী অনন্ত জলিল তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন।

তার সেই স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘আমার ভক্তদের কাছে আমি আজকে একটি সাহায্য চাচ্ছি। আপনারা সবাই জানেন ১৯৯৬ সাল থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে অবস্থিত এ জে আই গ্রুপ সুনামের সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হয়ে আসছে। আজ আমার ফ্যাক্টরির এক ড্রাইভার মো. শহিদ মিয়া ৫৩ লক্ষ টাকা ফ্যাক্টরির গ্যাস বিল না দিয়ে টাকা গুলো নিয়ে পালিয়ে গেছে। ফ্যাক্টরির ফ্যাক্টরির একজন একাউন্টেন্ট মো. জহির তার সঙ্গে ছিল জহির সোনালী ব্যাংকে ভ্যাট দিতে ঢুকে ছিল এবং গাড়িতে টাকাগুলো সহ ড্রাইভারকে সাবধানে দেখাশোনার জন্য বলে গিয়েছিল। জহির সোনালী ব্যাংকে যাওয়ার পর সে সুযোগ বুঝে টাকাগুলো নিয়ে গাড়ি রেখে পালিয়ে যায়।’

অর্থ্যাৎ অনন্ত জলিলের প্রতিষ্ঠানের ৫৩ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে তারই গাড়িচালক। এ বিষয়ে ঘটনার দিনই সাভার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযুক্ত গাড়িচালক মো. শহিদ মিয়াকে (৩৭) ধরিয়ে দিতে পারলে পুরস্কৃত করা হবে বলে ঘোষণা দেন এই অভিনেতা।

এবার তিনি জানালেন, এই অর্থ আত্মসাতের মূল হোতার নাম। এজেআই গ্রুপের কর্ণধার অনন্ত জলিল রবিবার রাতে বলেন, এই ঘটনার মূল হোতা জহিরুল ইসলাম। তার পরিকল্পনায় এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। সে আমার কোম্পানির হিসাবরক্ষক এবং পলাতক গাড়িচালকের সঙ্গে তার গভীর যোগাযোগ রয়েছে।

অনন্ত জলিলের অভিযোগের ভিত্তিতে এরইমধ্যে জহিরুল ইসলামকে কর্মস্থল থেকে আটক করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে অনন্ত জলিল বলেন, জহিরুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে তিনি টাকা আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে এই ঘটনার দ্বিতীয় আসামী শহীদ মিয়া কোথায় গা ঢাকা দিয়েছেন তা জানা যায়নি।

থানায় করা গতকালের মামলায় উধাও হয়ে যাওয়া গাড়িচালকের সঙ্গে মূল পরিকল্পনাকারীর নামও রয়েছে।

সাভার থানায় করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা রবিবার (৭ এপ্রিল) একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে দীর্ঘদিন পরিকল্পনা করে সর্বমােট ৫৭ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে হাতিয়ে নেয়।

অভিযোগে আরও লেখা রয়েছে, অনন্তর ব্যবহৃত গাড়িটি (ঢাকা মেট্রো চ-৫৩-২০৫৯) সাভার মডেল থানাধীন পার্বতী নগর সোনালী ব্যাংক শাখার সামনে রেখে পালিয়ে যায় এর চালক।

Loading...